ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নের কানহর ও দরিরামপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ধরার খাল ওরফে বৈলর খালের পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। খালটির পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এই খালটি খন করেছিলেন। প্রায় ৪৭ বছর পর তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে খালটির পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে।
আজ ২৫ জুন দুপুরে খালের পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার হাম্মিম জাহান এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা জানান, খালটি মোট ৩১শত মিটার দৈর্ঘ্য জুড়ে পুনঃখনন করা হচ্ছে। খালের *তলদেশ ১০ ফুট, উপরের অংশ ২০ ফুট প্রস্থ* এবং *নিচের তলা থেকে ৫ ফুট গভীরে* খন করা হচ্ছে। এতে পানির ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতার সমস্যা কমবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, খালটি ঘিরে ভবিষ্যতে একটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি খালের দুপাশে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, খালের পুনঃখনন কাজ ইতিমধ্যে শেষের দিকে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, খালটি পুনঃখননের ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং মাছ চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিন পর খালটির প্রাণ ফিরে আসায় এলাকাবাসীর মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নের কানহর ও দরিরামপুর এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ধরার খাল ওরফে বৈলর খালের পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। খালটির পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এই খালটি খন করেছিলেন। প্রায় ৪৭ বছর পর তার ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে খালটির পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে।
আজ ২৫ জুন দুপুরে খালের পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী যুবায়েত হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার হাম্মিম জাহান এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা জানান, খালটি মোট ৩১শত মিটার দৈর্ঘ্য জুড়ে পুনঃখনন করা হচ্ছে। খালের *তলদেশ ১০ ফুট, উপরের অংশ ২০ ফুট প্রস্থ* এবং *নিচের তলা থেকে ৫ ফুট গভীরে* খন করা হচ্ছে। এতে পানির ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতার সমস্যা কমবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, খালটি ঘিরে ভবিষ্যতে একটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি খালের দুপাশে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, খালের পুনঃখনন কাজ ইতিমধ্যে শেষের দিকে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, খালটি পুনঃখননের ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং মাছ চাষের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘদিন পর খালটির প্রাণ ফিরে আসায় এলাকাবাসীর মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন