রাজধানীর তুরাগের ধউর এলাকায় 'উত্তরণ প্রকল্প'–এর সামনে জমি দখল এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সিটি কর্পোরেশনের সড়কে গেট বসিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় শ্রমিক ও এলাকাবাসী। গতকাল সকালে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দিয়াবাড়ীর পুরান কালিয়া, নয়ানগর ও চন্ডালভোগ এলাকার ২০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক যাতায়াত করেন। তারা কামারপাড়া, আশুলিয়া, সাউদার্ন আরএফএলসহ আশপাশের শতাধিক শিল্পকারখানার কর্মরত। কিন্তু কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ সড়কে গেট বসিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছে উত্তরণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে পোশাক ও শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে পৌঁছাতে এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন তাদের অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। সময়মতো কারখানায় পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে নানামুখী হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে ক্ষোভ জানান শ্রমিকেরা।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, সড়ক বন্ধ করার পাশাপাশি প্রকল্পটির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ব্যক্তিগত জমি দখলেরও পাঁয়তারা চলছে।
মানববন্ধন থেকে আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে বন্ধ সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে স্থানীয়দের জমি দখল ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের চিহ্নিত করতে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর তুরাগের ধউর এলাকায় 'উত্তরণ প্রকল্প'–এর সামনে জমি দখল এবং পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সিটি কর্পোরেশনের সড়কে গেট বসিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় শ্রমিক ও এলাকাবাসী। গতকাল সকালে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দিয়াবাড়ীর পুরান কালিয়া, নয়ানগর ও চন্ডালভোগ এলাকার ২০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক যাতায়াত করেন। তারা কামারপাড়া, আশুলিয়া, সাউদার্ন আরএফএলসহ আশপাশের শতাধিক শিল্পকারখানার কর্মরত। কিন্তু কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ সড়কে গেট বসিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছে উত্তরণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে পোশাক ও শিল্পকারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে পৌঁছাতে এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন তাদের অতিরিক্ত সময় অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। সময়মতো কারখানায় পৌঁছাতে না পেরে অনেকেই কর্মক্ষেত্রে নানামুখী হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে ক্ষোভ জানান শ্রমিকেরা।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, সড়ক বন্ধ করার পাশাপাশি প্রকল্পটির বিরুদ্ধে স্থানীয়দের ব্যক্তিগত জমি দখলেরও পাঁয়তারা চলছে।
মানববন্ধন থেকে আন্দোলনকারীরা অবিলম্বে বন্ধ সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে স্থানীয়দের জমি দখল ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের চিহ্নিত করতে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন