ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

কয়রা-পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ও লবণাক্ততা বড় ইস্যু


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২৬

কয়রা-পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ও লবণাক্ততা বড় ইস্যু
ছবি : সংগৃহীত

খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা ও পাইকগাছার মানুষের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, সুপেয় পানির সংকট এবং লবণাক্ততা এখন অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে এসব সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে আসলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্য খামার। একই সঙ্গে নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছর অনেক পরিবার তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে অনিশ্চিত জীবনের মুখোমুখি হচ্ছে।

অন্যদিকে, লবণাক্ততার প্রভাব দিন দিন বাড়তে থাকায় সুপেয় পানির সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। অনেক এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানিতেও লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এর প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্য, কৃষি উৎপাদন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই উপকূলবাসীর জীবন ও জীবিকা রক্ষায় দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী শাসন কার্যক্রম জোরদার এবং নিরাপদ পানির স্থায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে স্থানীয় জনগণ বলছেন, উপকূল রক্ষায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠতে পারে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা তাদের।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


কয়রা-পাইকগাছায় বেড়িবাঁধ ও লবণাক্ততা বড় ইস্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা ও পাইকগাছার মানুষের কাছে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ, সুপেয় পানির সংকট এবং লবণাক্ততা এখন অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে এসব সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে আসলেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় দুর্ভোগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় দুর্বল বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও মৎস্য খামার। একই সঙ্গে নদীভাঙনের কারণে প্রতিবছর অনেক পরিবার তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে অনিশ্চিত জীবনের মুখোমুখি হচ্ছে।

অন্যদিকে, লবণাক্ততার প্রভাব দিন দিন বাড়তে থাকায় সুপেয় পানির সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে। অনেক এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানিতেও লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এর প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্য, কৃষি উৎপাদন এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই উপকূলবাসীর জীবন ও জীবিকা রক্ষায় দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী শাসন কার্যক্রম জোরদার এবং নিরাপদ পানির স্থায়ী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে স্থানীয় জনগণ বলছেন, উপকূল রক্ষায় কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠতে পারে। তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা তাদের।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ