শুভেচ্ছা সফরের অংশ হিসেবে বহুজাতিক ‘আইওএস সাগর ২০২৬’ মোতায়েন কার্যক্রমের আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৮ মে) বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে জাহাজটি বন্দরে প্রবেশ করে।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট বিএনএস আলী হায়দার (এফ১৭) জলসীমায় জাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। সফরটি দুই দেশের নৌবাহিনীর দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও নৌ সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরকালে জাহাজটির কমান্ডিং অফিসার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, নৌবহরের কমান্ডার এবং ডকইয়ার্ড এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট রয়েছেন। এসব বৈঠকে পেশাগত মতবিনিময়, সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে। পাশাপাশি একটি অভ্যর্থনা ও ডেক রিসেপশনের আয়োজন করা হবে, যেখানে দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সফরসূচির অংশ হিসেবে কমান্ডিং অফিসার চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সামুদ্রিক লজিস্টিকস, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এছাড়া দুই দেশের নৌ সদস্যদের মধ্যে ক্রস-ডেক ভিজিট, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। নৌ সদস্যরা ঈসা খান ট্রেনিং কমপ্লেক্স ও বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি পরিদর্শন করবেন।
সফরসূচিতে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
শুভেচ্ছা সফরের অংশ হিসেবে বহুজাতিক ‘আইওএস সাগর ২০২৬’ মোতায়েন কার্যক্রমের আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৮ মে) বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে জাহাজটি বন্দরে প্রবেশ করে।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট বিএনএস আলী হায়দার (এফ১৭) জলসীমায় জাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানায়। সফরটি দুই দেশের নৌবাহিনীর দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও নৌ সহযোগিতার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সফরকালে জাহাজটির কমান্ডিং অফিসার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, নৌবহরের কমান্ডার এবং ডকইয়ার্ড এরিয়া সুপারিনটেনডেন্ট রয়েছেন। এসব বৈঠকে পেশাগত মতবিনিময়, সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে। পাশাপাশি একটি অভ্যর্থনা ও ডেক রিসেপশনের আয়োজন করা হবে, যেখানে দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
সফরসূচির অংশ হিসেবে কমান্ডিং অফিসার চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ ওয়ার সেমেট্রিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। তিনি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সামুদ্রিক লজিস্টিকস, বন্দর ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এছাড়া দুই দেশের নৌ সদস্যদের মধ্যে ক্রস-ডেক ভিজিট, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। নৌ সদস্যরা ঈসা খান ট্রেনিং কমপ্লেক্স ও বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি পরিদর্শন করবেন।
সফরসূচিতে দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

আপনার মতামত লিখুন