নেপালে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে কাঠমান্ডুতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ লক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুর ম্যারিয়ট হোটেলে নৈশভোজ ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং সভার আয়োজন করা হয়।
‘দক্ষিণ এশিয়া ট্রেড ফেয়ার ২০২৬’-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং নেপালের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেপালের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন।
এবারের মেলায় বাংলাদেশের ২৪টি প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী পণ্য প্রদর্শন করছে।
নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান বলেন, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য ও পাটশিল্পে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পর্যটন খাতেও দুই দেশের সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্যে সংযোগ ও সুবিধা বেড়েছে। সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।
দিনের শুরুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিজনেস-টু-বিজনেস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নতুন বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সন্ধ্যার নেটওয়ার্কিং সভায়ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। আয়োজকরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
নেপালে বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে কাঠমান্ডুতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ লক্ষ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় কাঠমান্ডুর ম্যারিয়ট হোটেলে নৈশভোজ ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং সভার আয়োজন করা হয়।
‘দক্ষিণ এশিয়া ট্রেড ফেয়ার ২০২৬’-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং নেপালের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেপালের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকরা অংশ নেন।
এবারের মেলায় বাংলাদেশের ২৪টি প্রতিষ্ঠান তৈরি পোশাক, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী পণ্য প্রদর্শন করছে।
নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান বলেন, তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য ও পাটশিল্পে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পর্যটন খাতেও দুই দেশের সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্যে সংযোগ ও সুবিধা বেড়েছে। সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।
দিনের শুরুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিজনেস-টু-বিজনেস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নতুন বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সন্ধ্যার নেটওয়ার্কিং সভায়ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। আয়োজকরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন