নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘হোল অব গভর্নমেন্ট’ ও ‘হোল অব সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বাড়াচ্ছে এবং অভিবাসীদের জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশের সুযোগ বিস্তৃত করছে।
তিনি জানান, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন করেছে। পাশাপাশি ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ নতুন ছয়টি অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের ক্রমবর্ধমান কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে এসব কথা বলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘হোল অব গভর্নমেন্ট’ ও ‘হোল অব সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বাড়াচ্ছে এবং অভিবাসীদের জন্য ন্যায়বিচারে প্রবেশের সুযোগ বিস্তৃত করছে।
তিনি জানান, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন করেছে। পাশাপাশি ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ নতুন ছয়টি অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের ক্রমবর্ধমান কারণ উল্লেখ করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন