চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ মে বুধবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব সাতবাড়ীয়া ছাদেক পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুরুল হক চন্দনাইশ থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে অভিযুক্ত লোকমান, আনোয়ার, নুরুল ইসলাম, আনোয়ার বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে নুরুল হকের পৈতৃক বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ির বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিশেষ করে নুরুল হকের বড় বোন রানু আক্তারের টিনশেড বসতঘর ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের সদস্যরা হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে রানু আক্তার, তাহমিন আক্তারসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তারা আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া তাহমিন আক্তারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। হামলার সময় ঘরের আলমারি ভেঙে প্রায় ১০ আনা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগকারী নুরুল হকের দাবি, হামলায় প্রায় ১ লাখ টাকার ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে যাওয়ার সময় পুনরায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানা সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত লোকমান। তিনি বলেন, “তাদের ক্রয়কৃত জায়গায় ঘর নির্মাণ করায় আত্মীয়-স্বজন নিয়ে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হামলা বা লুটপাটের ঘটনা সত্য নয়।”

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও নারী নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ মে বুধবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব সাতবাড়ীয়া ছাদেক পাড়া এলাকায়। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুরুল হক চন্দনাইশ থানা-এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে অভিযুক্ত লোকমান, আনোয়ার, নুরুল ইসলাম, আনোয়ার বেগমসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জন দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে নুরুল হকের পৈতৃক বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ির বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। বিশেষ করে নুরুল হকের বড় বোন রানু আক্তারের টিনশেড বসতঘর ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
পরিবারের সদস্যরা হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে রানু আক্তার, তাহমিন আক্তারসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তারা আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া তাহমিন আক্তারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। হামলার সময় ঘরের আলমারি ভেঙে প্রায় ১০ আনা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগকারী নুরুল হকের দাবি, হামলায় প্রায় ১ লাখ টাকার ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে যাওয়ার সময় পুনরায় হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে চন্দনাইশ থানা সূত্র জানায়, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত লোকমান। তিনি বলেন, “তাদের ক্রয়কৃত জায়গায় ঘর নির্মাণ করায় আত্মীয়-স্বজন নিয়ে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হামলা বা লুটপাটের ঘটনা সত্য নয়।”

আপনার মতামত লিখুন