নওগাঁর মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক রহস্যজনক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষের তালা ভেঙে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে নৈশপ্রহরী সাইফুল ইসলাম দায়িত্বে ছিলেন। তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাড়িতে চলে যান এবং পরে আর বিদ্যালয়ে ফিরে আসেননি। এই সুযোগেই দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরদিন বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিরাপত্তাকর্মী মোফাজ্জল হোসেন বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষক কক্ষ, সহকারী শিক্ষক কক্ষ ও আইসিটি ল্যাবের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার এলইডি মনিটর ও রিসিভার এবং আইসিটি ল্যাব থেকে ৬২ ইঞ্চি স্মার্ট মনিটর ও একটি কম্পিউটার চুরি হয়ে গেছে।
নিরাপত্তাকর্মী মোফাজ্জল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যালয়ে এসে তিনি অফিস কক্ষগুলোর তালা ভাঙা দেখতে পান। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের জানানো হয় এবং পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আইসিটি কক্ষ থেকেও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি হয়েছে।
এ বিষয়ে নৈশপ্রহরী সাইফুল ইসলাম বলেন, রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বর অনুভব করায় তিনি ওষুধ খেতে বাড়ি চলে যান এবং সেখানেই অবস্থান করেন। সকালে প্রধান শিক্ষকের ফোনে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদেশ আলী বলেন, এই চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হয়েছে।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক রহস্যজনক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষের তালা ভেঙে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম চুরি করে নিয়ে যায়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে নৈশপ্রহরী সাইফুল ইসলাম দায়িত্বে ছিলেন। তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাড়িতে চলে যান এবং পরে আর বিদ্যালয়ে ফিরে আসেননি। এই সুযোগেই দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরদিন বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে নিরাপত্তাকর্মী মোফাজ্জল হোসেন বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষক কক্ষ, সহকারী শিক্ষক কক্ষ ও আইসিটি ল্যাবের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার এলইডি মনিটর ও রিসিভার এবং আইসিটি ল্যাব থেকে ৬২ ইঞ্চি স্মার্ট মনিটর ও একটি কম্পিউটার চুরি হয়ে গেছে।
নিরাপত্তাকর্মী মোফাজ্জল হোসেন জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যালয়ে এসে তিনি অফিস কক্ষগুলোর তালা ভাঙা দেখতে পান। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের জানানো হয় এবং পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আইসিটি কক্ষ থেকেও মূল্যবান সরঞ্জাম চুরি হয়েছে।
এ বিষয়ে নৈশপ্রহরী সাইফুল ইসলাম বলেন, রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বর অনুভব করায় তিনি ওষুধ খেতে বাড়ি চলে যান এবং সেখানেই অবস্থান করেন। সকালে প্রধান শিক্ষকের ফোনে চুরির বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদেশ আলী বলেন, এই চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে মান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করা হয়েছে।
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন