ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। ঈদের আগের দিনগুলোতে রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে অফিসফেরত মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা আগের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে কেনাকাটা করতে পারবেন।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ঈদের কেনাকাটার মূল চাপ সাধারণত শেষ সপ্তাহে পড়ে। সময় বাড়ানো হলে ভিড় কিছুটা ছড়িয়ে যাবে, যা ক্রেতাদের জন্য যেমন সুবিধাজনক হবে, তেমনি নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষাতেও সহায়ক হবে। অনেক শপিংমলে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ, পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিপণিবিতান, ফুটপাতের বাজার ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় টহল জোরদার করা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়ও বিশেষ নজর দেওয়া হবে, যাতে কেনাকাটার সময় যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়েও সতর্কতা রাখা হচ্ছে। শপিংমলগুলোতে পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি, জরুরি বহির্গমন পথ এবং পরিচ্ছন্নতার দিকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে ক্রেতাদের ধৈর্য ধরে কেনাকাটা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সময়সীমা বাড়ায় বেচাকেনা বাড়বে এবং ঈদের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের কেনাকাটা শেষ করা যাবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। ঈদের আগের দিনগুলোতে রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে অফিসফেরত মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা আগের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে কেনাকাটা করতে পারবেন।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ঈদের কেনাকাটার মূল চাপ সাধারণত শেষ সপ্তাহে পড়ে। সময় বাড়ানো হলে ভিড় কিছুটা ছড়িয়ে যাবে, যা ক্রেতাদের জন্য যেমন সুবিধাজনক হবে, তেমনি নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষাতেও সহায়ক হবে। অনেক শপিংমলে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ, পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রস্তুতি নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিপণিবিতান, ফুটপাতের বাজার ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় টহল জোরদার করা হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়ও বিশেষ নজর দেওয়া হবে, যাতে কেনাকাটার সময় যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকে।
ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়েও সতর্কতা রাখা হচ্ছে। শপিংমলগুলোতে পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি, জরুরি বহির্গমন পথ এবং পরিচ্ছন্নতার দিকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে ক্রেতাদের ধৈর্য ধরে কেনাকাটা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, সময়সীমা বাড়ায় বেচাকেনা বাড়বে এবং ঈদের বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের কেনাকাটা শেষ করা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন