ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকার বাসিন্দা দ্বীন ইসলাম পেশায় একজন সেলুনকর্মী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী মিম আক্তারের কাছে নতুন সেলুন ব্যবসা চালুর জন্য পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ লেগে থাকত।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ মে সকালে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন দ্বীন ইসলাম। সেখানে নিয়ে তিনি স্ত্রীকে মারধর করেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
আহত মিম আক্তারকে প্রথমে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত স্বামীকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে প্রায় চার লাখ টাকার বেশি দেওয়া হয়েছিল। এরপরও তিনি নতুন করে টাকা দাবি করতে থাকেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার আখাউড়া থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নরসিংদী থেকে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামকে গ্রেফতার করে।
আখাউড়া থানার পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে নরসিংদী থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকার বাসিন্দা দ্বীন ইসলাম পেশায় একজন সেলুনকর্মী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী মিম আক্তারের কাছে নতুন সেলুন ব্যবসা চালুর জন্য পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ লেগে থাকত।
অভিযোগ রয়েছে, গত ৫ মে সকালে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার কথা বলে স্ত্রীকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন দ্বীন ইসলাম। সেখানে নিয়ে তিনি স্ত্রীকে মারধর করেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
আহত মিম আক্তারকে প্রথমে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত স্বামীকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে প্রায় চার লাখ টাকার বেশি দেওয়া হয়েছিল। এরপরও তিনি নতুন করে টাকা দাবি করতে থাকেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার আখাউড়া থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নরসিংদী থেকে অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামকে গ্রেফতার করে।
আখাউড়া থানার পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন