ইরানে কারাবন্দি শান্তিতে নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী Narges Mohammadi গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি এবং কারাগারে চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
মোহাম্মদির প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশন শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি দুবার জ্ঞান হারান। পরবর্তীতে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের জটিলতা দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থাকে গুরুতর বলে উল্লেখ করেছেন, যদিও তাঁর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া এই অধিকারকর্মী দীর্ঘদিন ধরে ইরানে নারী অধিকার, মৃত্যুদণ্ডবিরোধী আন্দোলন এবং রাজনৈতিক বন্দিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। তাঁর সক্রিয়তার কারণেই একাধিকবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাভোগ করছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে মোহাম্মদির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ইরান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। Amnesty International এবং Human Rights Watchসহ বিভিন্ন সংস্থা বলছে, তাঁর মতো একজন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির জন্যও যদি যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না হয়, তবে তা দেশটির কারাগার ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোহাম্মদির অসুস্থতা কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয় নয়, বরং এটি ইরানে রাজনৈতিক বন্দিদের সার্বিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। গত কয়েক বছরে কারাগারের ভেতরে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ বহুবার সামনে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার আহ্বানও জোরালো হচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক করে বলছে, তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তা কেবল মানবিক নয়, কূটনৈতিকভাবেও বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
পরিস্থিতি এখনো স্পষ্ট নয়, তবে নার্গিস মোহাম্মদির স্বাস্থ্য সংকট ইরানের মানবাধিকার ইস্যুকে আবারও বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইরানে কারাবন্দি শান্তিতে নোবেলজয়ী মানবাধিকারকর্মী Narges Mohammadi গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি এবং কারাগারে চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
মোহাম্মদির প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশন শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি দুবার জ্ঞান হারান। পরবর্তীতে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের জটিলতা দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁর অবস্থাকে গুরুতর বলে উল্লেখ করেছেন, যদিও তাঁর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া এই অধিকারকর্মী দীর্ঘদিন ধরে ইরানে নারী অধিকার, মৃত্যুদণ্ডবিরোধী আন্দোলন এবং রাজনৈতিক বন্দিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। তাঁর সক্রিয়তার কারণেই একাধিকবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বর্তমানে তিনি কারাভোগ করছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে মোহাম্মদির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ইরান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। Amnesty International এবং Human Rights Watchসহ বিভিন্ন সংস্থা বলছে, তাঁর মতো একজন উচ্চপ্রোফাইল বন্দির জন্যও যদি যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না হয়, তবে তা দেশটির কারাগার ব্যবস্থার গুরুতর দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মোহাম্মদির অসুস্থতা কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয় নয়, বরং এটি ইরানে রাজনৈতিক বন্দিদের সার্বিক পরিস্থিতির প্রতিফলন। গত কয়েক বছরে কারাগারের ভেতরে চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ বহুবার সামনে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার আহ্বানও জোরালো হচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক করে বলছে, তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তা কেবল মানবিক নয়, কূটনৈতিকভাবেও বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
পরিস্থিতি এখনো স্পষ্ট নয়, তবে নার্গিস মোহাম্মদির স্বাস্থ্য সংকট ইরানের মানবাধিকার ইস্যুকে আবারও বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন