হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ঋণসংকট ও আর্থিক চাপ কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আসন্ন বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে হাওর উপজেলার পাঁচটি জেলায় ধান ও চাল কেনার কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে কৃষকদের জন্য এক ধরনের সরাসরি ঋণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাওর এলাকায় ফসল কাটার সময় প্রাকৃতিক ঝুঁকি বেশি থাকায় কৃষকরা প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়েন। অনেক সময় বাধ্য হয়ে তারা কম দামে ধান বিক্রি করেন বা মহাজনের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হয়। আগাম সরকারি ক্রয় কার্যক্রম শুরু হলে কৃষকরা ন্যায্য দামে ধান বিক্রির সুযোগ পাবেন এবং তাৎক্ষণিক নগদ অর্থ হাতে আসবে।
এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পাঁচ জেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান এবং মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করা হবে। সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে, যাতে কৃষকদের আর্থিক চাপে পড়তে না হয়।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে শুধু ঋণনির্ভরতা কমবে না, বরং হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্য মজুতও শক্তিশালী হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হবে, যাতে প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি এ সুবিধা পান এবং কোনো অনিয়ম না ঘটে। হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য এটি সময়োপযোগী ও আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ঋণসংকট ও আর্থিক চাপ কমাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আসন্ন বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে হাওর উপজেলার পাঁচটি জেলায় ধান ও চাল কেনার কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে কৃষকদের জন্য এক ধরনের সরাসরি ঋণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাওর এলাকায় ফসল কাটার সময় প্রাকৃতিক ঝুঁকি বেশি থাকায় কৃষকরা প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়েন। অনেক সময় বাধ্য হয়ে তারা কম দামে ধান বিক্রি করেন বা মহাজনের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হয়। আগাম সরকারি ক্রয় কার্যক্রম শুরু হলে কৃষকরা ন্যায্য দামে ধান বিক্রির সুযোগ পাবেন এবং তাৎক্ষণিক নগদ অর্থ হাতে আসবে।
এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পাঁচ জেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান এবং মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ করা হবে। সরকার নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে, যাতে কৃষকদের আর্থিক চাপে পড়তে না হয়।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে শুধু ঋণনির্ভরতা কমবে না, বরং হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসবে। একই সঙ্গে সরকারি খাদ্য মজুতও শক্তিশালী হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হবে, যাতে প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি এ সুবিধা পান এবং কোনো অনিয়ম না ঘটে। হাওরাঞ্চলের কৃষকদের জন্য এটি সময়োপযোগী ও আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন