ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)-এর ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও দু’জন। নিহতরা একটি বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্য ছিলেন, যাদের দায়িত্ব ছিল এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ শনাক্ত ও অপসারণ করা।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানের সময় হঠাৎ একটি গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ইরানের বিস্ফোরক অপসারণ কার্যক্রমের ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
জানজান প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অতীত সংঘাত ও সামরিক কার্যক্রমের ফলে বিপুল পরিমাণ অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ছড়িয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিস্ফোরক কেবল নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই অবিস্ফোরিত অস্ত্রের কারণে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা কৃষি উৎপাদন এবং স্থানীয় জনগণের জীবিকাকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। কৃষকরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই জমিতে কাজ করতে পারছেন না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের বিস্ফোরক অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। প্রশিক্ষিত ইউনিট থাকা সত্ত্বেও যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। ফলে এই খাতে উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি হয়ে উঠেছে।
ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিষয় : ইরান যুদ্ধ

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)-এর ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও দু’জন। নিহতরা একটি বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্য ছিলেন, যাদের দায়িত্ব ছিল এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ শনাক্ত ও অপসারণ করা।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানের সময় হঠাৎ একটি গোলাবারুদ বিস্ফোরিত হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ইরানের বিস্ফোরক অপসারণ কার্যক্রমের ঝুঁকিপূর্ণ বাস্তবতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
জানজান প্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় অতীত সংঘাত ও সামরিক কার্যক্রমের ফলে বিপুল পরিমাণ অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ ছড়িয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিস্ফোরক কেবল নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতির ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই অবিস্ফোরিত অস্ত্রের কারণে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যা কৃষি উৎপাদন এবং স্থানীয় জনগণের জীবিকাকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। কৃষকরা নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই জমিতে কাজ করতে পারছেন না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের বিস্ফোরক অপসারণ কার্যক্রম অত্যন্ত জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। প্রশিক্ষিত ইউনিট থাকা সত্ত্বেও যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। ফলে এই খাতে উন্নত প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি হয়ে উঠেছে।
ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন