কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এবং কৃষি ব্যবস্থাকে টেকসই করতে সরকার একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমন্বিত (কমপ্রিহেনসিভ) পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, শুধু ফসল উৎপাদন করলেই হবে না, সেই ফসলের যথাযথ বাজারজাতকরণ দেশ ও বিদেশে নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই কৃষক প্রকৃতভাবে লাভবান হবে।
শনিবার (২ মে) সকাল ১০টায় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ‘পানি সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি এবং পলিহাউসে উৎপাদিত ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির কলাকৌশল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমাদের এই চার উপজেলায় প্রায় ৩০০টি ছোট-বড় খাল, বিল ও নালা রয়েছে। বিএডিসির মাধ্যমে এগুলো পুনর্খনন করে পানি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি সংরক্ষণ করা গেলে সেখানে মাছ চাষ, হাঁস পালন এবং সেচ কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।”
অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে গ্রাম পর্যায়ে মানুষ রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কথা বলেছে। সেই চাহিদা অনুযায়ী এলজিইডির মাধ্যমে রাস্তাঘাট ও বড় ব্রিজ নির্মাণের কাজ আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।”
কৃষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “কৃষক যদি তার ফসলের ন্যায্য মূল্য পায়, তবে সে আরও বেশি চাষাবাদে আগ্রহী হবে। আমরা এমন একটি কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে উৎপাদন থেকে শুরু করে রপ্তানি পর্যন্ত কৃষক সব ধরনের সুবিধা পাবে। এতে কৃষকের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে না।”
অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট পৌর ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণার্থী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানি সাশ্রয় ও ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এবং কৃষি ব্যবস্থাকে টেকসই করতে সরকার একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমন্বিত (কমপ্রিহেনসিভ) পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, শুধু ফসল উৎপাদন করলেই হবে না, সেই ফসলের যথাযথ বাজারজাতকরণ দেশ ও বিদেশে নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই কৃষক প্রকৃতভাবে লাভবান হবে।
শনিবার (২ মে) সকাল ১০টায় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ‘পানি সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি এবং পলিহাউসে উৎপাদিত ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির কলাকৌশল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “আমাদের এই চার উপজেলায় প্রায় ৩০০টি ছোট-বড় খাল, বিল ও নালা রয়েছে। বিএডিসির মাধ্যমে এগুলো পুনর্খনন করে পানি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি সংরক্ষণ করা গেলে সেখানে মাছ চাষ, হাঁস পালন এবং সেচ কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।”
অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে গ্রাম পর্যায়ে মানুষ রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কথা বলেছে। সেই চাহিদা অনুযায়ী এলজিইডির মাধ্যমে রাস্তাঘাট ও বড় ব্রিজ নির্মাণের কাজ আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।”
কৃষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “কৃষক যদি তার ফসলের ন্যায্য মূল্য পায়, তবে সে আরও বেশি চাষাবাদে আগ্রহী হবে। আমরা এমন একটি কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে উৎপাদন থেকে শুরু করে রপ্তানি পর্যন্ত কৃষক সব ধরনের সুবিধা পাবে। এতে কৃষকের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে না।”
অনুষ্ঠানে ঘোড়াঘাট পৌর ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশিক্ষণার্থী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পানি সাশ্রয় ও ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন