চট্টগ্রাম-৫ সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন যে গেজেট প্রকাশ করেছে, সেখানে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত এবং স্বতন্ত্র জোটসহ মোট ৪৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। যেহেতু প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী ছিলেন, তাই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই সকল বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এই গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা চট্টগ্রাম-৫ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি রাজনৈতিকভাবে একটি পরিচিত পরিবারের সদস্য। তার পিতা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, যিনি নিজ এলাকায় দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যারিস্টার হিসেবে তার পেশাগত পরিচিতিও তাকে আলাদা অবস্থান তৈরি করতে সহায়তা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৩৬ জন নারী সংসদ সদস্যের তালিকায় তার অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। হাটহাজারীসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে তার রাজনৈতিক ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব হিসেবে তিনি সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জোটভিত্তিক আসন বণ্টনের কারণে প্রতিটি সংরক্ষিত আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া শুধু একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়, বরং এটি চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশারও সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
চট্টগ্রাম-৫ সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন যে গেজেট প্রকাশ করেছে, সেখানে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি, জামায়াত এবং স্বতন্ত্র জোটসহ মোট ৪৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। যেহেতু প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী ছিলেন, তাই কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই সকল বৈধ প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এই গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা চট্টগ্রাম-৫ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি রাজনৈতিকভাবে একটি পরিচিত পরিবারের সদস্য। তার পিতা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, যিনি নিজ এলাকায় দীর্ঘদিন রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি ব্যারিস্টার হিসেবে তার পেশাগত পরিচিতিও তাকে আলাদা অবস্থান তৈরি করতে সহায়তা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৩৬ জন নারী সংসদ সদস্যের তালিকায় তার অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। হাটহাজারীসহ চট্টগ্রাম অঞ্চলে তার রাজনৈতিক ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব হিসেবে তিনি সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জোটভিত্তিক আসন বণ্টনের কারণে প্রতিটি সংরক্ষিত আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয়নি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া শুধু একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়, বরং এটি চট্টগ্রামের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশারও সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন