ইরান ইস্যুতে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
পোস্টে বলা হয়, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা প্রশ্ন তুলেছিলেন—বাংলাদেশের একটি বন্ধুরাষ্ট্র কেন দাবি করেছে যে সংকটের সময়ে তারা বাংলাদেশকে পাশে পায়নি। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চলমান উপসাগরীয় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দেশগুলো বাংলাদেশের নীতিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে এবং প্রশংসা করেছে।
মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ঢাকায় অবস্থিত ইরান দূতাবাস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক কূটনৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেছে। একইসঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু বক্তব্যের খণ্ডিত উপস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছে দেশটির দূতাবাস। এ সংক্রান্ত বিবৃতিও পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
এছাড়া গত ২৩ এপ্রিল ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে ইরানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তরের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন বলে জানায় মন্ত্রণালয়।
পোস্ট অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রদূত ওই সময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সহমর্মিতা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদও জানান।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন ব্যাখ্যাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করতে এই ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে, তখন বাংলাদেশ তার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে চাইছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইরান ইস্যুতে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
পোস্টে বলা হয়, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা প্রশ্ন তুলেছিলেন—বাংলাদেশের একটি বন্ধুরাষ্ট্র কেন দাবি করেছে যে সংকটের সময়ে তারা বাংলাদেশকে পাশে পায়নি। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চলমান উপসাগরীয় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দেশগুলো বাংলাদেশের নীতিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে এবং প্রশংসা করেছে।
মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ঢাকায় অবস্থিত ইরান দূতাবাস সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক কূটনৈতিক অবস্থানের প্রশংসা করেছে। একইসঙ্গে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু বক্তব্যের খণ্ডিত উপস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেছে দেশটির দূতাবাস। এ সংক্রান্ত বিবৃতিও পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
এছাড়া গত ২৩ এপ্রিল ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে ইরানের জনগণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তরের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন বলে জানায় মন্ত্রণালয়।
পোস্ট অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রদূত ওই সময়ে ইরানের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সহমর্মিতা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদও জানান।
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরপরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন ব্যাখ্যাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করতে এই ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে, তখন বাংলাদেশ তার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে চাইছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন