বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি জানান, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে ইসলামী শ্রমনীতির মাধ্যমে শ্রমিক সমাজের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।
শুক্রবার (১ মে) দুপুরে বিশ্বনাথ উপজেলা সদরে মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানব রচিত কোনো মতবাদই মানুষের মৌলিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দিতে সক্ষম নয়। ইসলামী শ্রমনীতিই শ্রমিক ও মালিক উভয়ের অধিকার সুরক্ষার সর্বোত্তম পথ। তিনি বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার ন্যায্য পাওনা পরিশোধের যে নির্দেশনা রাসূলে করীম (সা.) দিয়েছেন, তা বাস্তবায়িত হলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন করা গেলে শ্রমিকদের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মালিকরাও তাদের ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবেন।
সমাবেশে তিনি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেশের অধিকাংশ জনগণ গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের উচিত দ্রুত সেই রায় বাস্তবায়ন করা। অন্যথায় গণভোটের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বনাথ পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শাহীন আহমদ রাজু এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মালিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও উপজেলা জামায়াতের আমীর এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন সিদ্দিকী, পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণের প্রধান উপদেষ্টা ও পৌর জামায়াতের আমীর এইচ এম আক্তার ফারুক, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাষ্টার ইমাদ উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুস সোবহান মেম্বার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মতিউর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান এবং সিলেট জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের অফিস সম্পাদক আল আমীন।
এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি বিশ্বনাথ মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসিয়া সেতু এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি জানান, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে ইসলামী শ্রমনীতির মাধ্যমে শ্রমিক সমাজের প্রকৃত মুক্তি সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।
শুক্রবার (১ মে) দুপুরে বিশ্বনাথ উপজেলা সদরে মিছিল-পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানব রচিত কোনো মতবাদই মানুষের মৌলিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দিতে সক্ষম নয়। ইসলামী শ্রমনীতিই শ্রমিক ও মালিক উভয়ের অধিকার সুরক্ষার সর্বোত্তম পথ। তিনি বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার ন্যায্য পাওনা পরিশোধের যে নির্দেশনা রাসূলে করীম (সা.) দিয়েছেন, তা বাস্তবায়িত হলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন করা গেলে শ্রমিকদের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি মালিকরাও তাদের ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবেন।
সমাবেশে তিনি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেশের অধিকাংশ জনগণ গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই বর্তমান সরকারের উচিত দ্রুত সেই রায় বাস্তবায়ন করা। অন্যথায় গণভোটের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বনাথ পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শাহীন আহমদ রাজু এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মালিক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা ও উপজেলা জামায়াতের আমীর এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন সিদ্দিকী, পৌরসভা শ্রমিক কল্যাণের প্রধান উপদেষ্টা ও পৌর জামায়াতের আমীর এইচ এম আক্তার ফারুক, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাষ্টার ইমাদ উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুস সোবহান মেম্বার, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মতিউর রহমান, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান এবং সিলেট জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের অফিস সম্পাদক আল আমীন।
এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি বিশ্বনাথ মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসিয়া সেতু এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন