দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে বড় পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সারা দেশে পর্যায়ক্রমে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি কমবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা এখনও পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট দীর্ঘদিনের। নতুন নিয়োগের ফলে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জেলা হাসপাতাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হবে।
তিনি জানান, এই নিয়োগে চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বাস্থ্যকর্মী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে সেবার মান নিশ্চিত করা যায়।
সরকারি সূত্র জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক পদ্ধতিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার কথাও জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক লাখ নতুন স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আসবে। মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও জরুরি চিকিৎসা সেবায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে না, বরং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে বড় পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সারা দেশে পর্যায়ক্রমে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি কমবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা এখনও পর্যাপ্ত নয়। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট দীর্ঘদিনের। নতুন নিয়োগের ফলে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে জেলা হাসপাতাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর হবে।
তিনি জানান, এই নিয়োগে চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্বাস্থ্যকর্মী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে, যাতে সেবার মান নিশ্চিত করা যায়।
সরকারি সূত্র জানায়, নিয়োগ প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক পদ্ধতিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার কথাও জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক লাখ নতুন স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আসবে। মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও জরুরি চিকিৎসা সেবায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে না, বরং দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করাবে।

আপনার মতামত লিখুন