‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সব প্রাণ’ -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে World Health Day উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি হাসপাতাল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাজিদ হাসান।
আলোচনা সভায় বক্তারা জানান, ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে এবং প্রতি বছর ৭ এপ্রিল বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। বক্তারা স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর সম্ভাবনা ব্যাপক।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি নিরাপদ পানি, পুষ্টিকর খাদ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা বলেন, স্বাস্থ্যখাতে এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাজেট ও জনবল সংকটের কারণে সব মানুষের কাছে সমানভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ০.৩ জন, যা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো গেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে আসবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ সময় মেডিক্যাল অফিসার ডা. শামীমা ইয়াসমিন, নার্সিং সুপারভাইজার রেহানা পারভীন, হাসপাতালের নার্সবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সম্মিলিতভাবে একটি সুস্থ জাতি গঠনে সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সব প্রাণ’ -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে World Health Day উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি হাসপাতাল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা. হাদি জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাজিদ হাসান।
আলোচনা সভায় বক্তারা জানান, ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়ে আসছে এবং প্রতি বছর ৭ এপ্রিল বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদ্যাপন করা হয়। বক্তারা স্বাস্থ্যসেবায় বিজ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এর সম্ভাবনা ব্যাপক।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি নিরাপদ পানি, পুষ্টিকর খাদ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের আরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা বলেন, স্বাস্থ্যখাতে এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাজেট ও জনবল সংকটের কারণে সব মানুষের কাছে সমানভাবে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ০.৩ জন, যা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো গেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অনেকাংশে কমে আসবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ সময় মেডিক্যাল অফিসার ডা. শামীমা ইয়াসমিন, নার্সিং সুপারভাইজার রেহানা পারভীন, হাসপাতালের নার্সবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সম্মিলিতভাবে একটি সুস্থ জাতি গঠনে সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন