চুয়াডাঙ্গা জেলায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’। এই কর্মসূচি সফল করতে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে রবিবার সকাল ১২ টায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে ইপিআই সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ। সম্মেলনে জানানো হয়, জেলায় এবার ১ লক্ষ ৩০৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকাদান কর্মসূচি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে: প্রথম পর্যায় ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী ৮ দিন পর্যন্ত ইপিআই (EPI) আউটরীচ মোট ৯৮০টি টিকাদান কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমে ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা দেওয়া হলেও এই অতিরিক্ত ডোজ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়াবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে নূন্যতম ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখতে হবে। এবার ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ১ ডোজ এমআর (MR) টিকা প্রদান করা হবে।
এবছর জেলায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১,০০,৩০৫ জন। এর মধ্যে ৪টি উপজেলা, ৪ টি পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিকাদান কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র ৯৭২টি, অতিরিক্ত কেন্দ্র ৮টি, সর্বমোট কেন্দ্র ৯৮০ টি।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ হামের সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন: "হাম একটি সংক্রামক ভাইরাস। আক্রান্ত শিশুকে লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর ৪ থেকে ৮ দিন আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন) রাখলে এই ভাইরাস আর ছড়াতে পারে না। সঠিক চিকিৎসায় শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। আমরা জেলার শতভাগ শিশুকে এই টিকার আওতায় আনতে চাই।
অভিভাবকরা [https://vaxepi.gov.bd] ওয়েবসাইটে গিয়ে শিশুর জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে সিভিল সার্জন আশ্বস্ত করেছেন যে, যাদের জন্মনিবন্ধন নেই, তারা টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সঠিক তথ্য প্রদান সাপেক্ষে তাৎক্ষণিক কার্ড সংগ্রহ করে বিনামূল্যে টিকা নিতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জনডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই ক্যাম্পেইন সফল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপপ্রচার রোধ সচেতন মহলের সহযোগিতা চাই।
সিভিল সার্জনডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক আকবার, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিমসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল অভিভাবককে নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা জেলায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’। এই কর্মসূচি সফল করতে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে রবিবার সকাল ১২ টায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে ইপিআই সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ। সম্মেলনে জানানো হয়, জেলায় এবার ১ লক্ষ ৩০৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকাদান কর্মসূচি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে: প্রথম পর্যায় ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী ৮ দিন পর্যন্ত ইপিআই (EPI) আউটরীচ মোট ৯৮০টি টিকাদান কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমে ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা দেওয়া হলেও এই অতিরিক্ত ডোজ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়াবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে নূন্যতম ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখতে হবে। এবার ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ১ ডোজ এমআর (MR) টিকা প্রদান করা হবে।
এবছর জেলায় মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১,০০,৩০৫ জন। এর মধ্যে ৪টি উপজেলা, ৪ টি পৌরসভা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিকাদান কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র ৯৭২টি, অতিরিক্ত কেন্দ্র ৮টি, সর্বমোট কেন্দ্র ৯৮০ টি।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ হামের সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন: "হাম একটি সংক্রামক ভাইরাস। আক্রান্ত শিশুকে লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর ৪ থেকে ৮ দিন আইসোলেশনে (বিচ্ছিন্ন) রাখলে এই ভাইরাস আর ছড়াতে পারে না। সঠিক চিকিৎসায় শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। আমরা জেলার শতভাগ শিশুকে এই টিকার আওতায় আনতে চাই।
অভিভাবকরা [https://vaxepi.gov.bd] ওয়েবসাইটে গিয়ে শিশুর জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে টিকার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে সিভিল সার্জন আশ্বস্ত করেছেন যে, যাদের জন্মনিবন্ধন নেই, তারা টিকাদান কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে সঠিক তথ্য প্রদান সাপেক্ষে তাৎক্ষণিক কার্ড সংগ্রহ করে বিনামূল্যে টিকা নিতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জনডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই ক্যাম্পেইন সফল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপপ্রচার রোধ সচেতন মহলের সহযোগিতা চাই।
সিভিল সার্জনডাঃ হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক আকবার, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সেলিমসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল অভিভাবককে নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন