বাংলাদেশে মিসলেস বা হাম রোগের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও চারটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে সারা দেশে সন্দেহভাজন ১ হাজার ১৭০টি নতুন গুরুতর সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে মোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য খাতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই আউটব্রেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন মৃতের সংখ্যা ২৮০ ছাড়িয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু, বিশেষ করে যাদের নিয়মিত টিকাদান সম্পূর্ণ হয়নি বা একেবারেই টিকা পায়নি। গ্রাম ও শহরের বস্তি এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, মিসলেস অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দ্রুত জটিল আকার নিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে, যা শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং জনসচেতনতার অভাবই এই আউটব্রেকের মূল কারণ। তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম টিকা নিশ্চিত করতে এবং জ্বর বা ফুসকুড়ির উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আগামী দিনগুলোতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বাংলাদেশে মিসলেস বা হাম রোগের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও চারটি শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে সারা দেশে সন্দেহভাজন ১ হাজার ১৭০টি নতুন গুরুতর সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এতে মোট আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য খাতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলমান এই আউটব্রেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন মৃতের সংখ্যা ২৮০ ছাড়িয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু, বিশেষ করে যাদের নিয়মিত টিকাদান সম্পূর্ণ হয়নি বা একেবারেই টিকা পায়নি। গ্রাম ও শহরের বস্তি এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, মিসলেস অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি, চোখ লাল হওয়া ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দ্রুত জটিল আকার নিতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া ও মস্তিষ্কে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে, যা শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং অভিভাবকদের সচেতন করতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং জনসচেতনতার অভাবই এই আউটব্রেকের মূল কারণ। তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম টিকা নিশ্চিত করতে এবং জ্বর বা ফুসকুড়ির উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আগামী দিনগুলোতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন