লক্ষ্মীপুর শহরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চকবাজার এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন। একই সময় ‘জুলাই ফাইটার্স’ ব্যানারে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা প্রশাসন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সমবেত হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে ওসি ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও আন্দোলনকারী রয়েছেন বলে জানা গেছে, যদিও সবার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে হাসপাতাল রোড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হাবিবুর রহমান ফাহিম এবং জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মুন্নার মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং রোববারের কর্মসূচির পটভূমি তৈরি করে।
ঘটনার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক সাইফুল ইসলাম মুরাদসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল থেকেই চকবাজার ও আশপাশ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
লক্ষ্মীপুর শহরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চকবাজার এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন। একই সময় ‘জুলাই ফাইটার্স’ ব্যানারে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা প্রশাসন শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সমবেত হলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে ওসি ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও আন্দোলনকারী রয়েছেন বলে জানা গেছে, যদিও সবার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে হাসপাতাল রোড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মী হাবিবুর রহমান ফাহিম এবং জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মুন্নার মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং রোববারের কর্মসূচির পটভূমি তৈরি করে।
ঘটনার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক সাইফুল ইসলাম মুরাদসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল থেকেই চকবাজার ও আশপাশ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন