সিলেটের শাহজালাল মাজার এলাকার পাশে ফুল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছোট্ট শিশুর মিষ্টি হাসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সবার নজর কাড়ে। ‘ফুল কন্যা’ নামে পরিচিত সেই শিশুটির নাম ফাইজা। তার অসহায় জীবনের গল্প সামনে আসার পর এগিয়ে এসেছেন সিলেটের বিশিষ্ট শিল্পপতি ফাহিম আল আজাদ।
জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে আসার পর ফাহিম আল আজাদ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মাধ্যমে ফাইজার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি শিশুটির লেখাপড়া থেকে শুরু করে সার্বিক ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বলেন, একটি সুন্দর ফুলের মতো শিশুকে ঝরে যেতে দেওয়া যায় না। সমাজের দায়িত্ব হচ্ছে এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো। তিনি জানান, যেখানেই দায়িত্বে থাকুন না কেন, ফাইজার খোঁজখবর রাখবেন এবং তার পাশে থাকবেন সবসময়। ফাইজাকে নিজের সন্তানের মতো দেখভাল করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
ফাইজার পারিবারিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ। তার মা নেই, আর বাবা বেঁচে থাকলেও তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। ছোটবেলা থেকেই নানীর কাছেই বড় হয়েছে সে। নানী জানান, অনেক কষ্ট করে তিনি নাতনিকে লালন-পালন করেছেন। তবে কেউ যদি দায়িত্ব নিতে চান, তাহলে মেয়েটিকে নিজের কাছেই রেখে তার লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অনুরোধ জানান তিনি।
এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশের কর্ণধার আতাউর রহমান বলেন, ফাহিম আল আজাদ-এর এই উদ্যোগ সিলেটের জন্য গর্বের। তিনি ফাইজার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
একটি ভাইরাল মুহূর্ত থেকেই শুরু হওয়া এই গল্প এখন হয়ে উঠেছে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত- যেখানে একজন শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে এগিয়ে এসেছে সমাজের দায়িত্বশীল মানুষ।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
সিলেটের শাহজালাল মাজার এলাকার পাশে ফুল হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছোট্ট শিশুর মিষ্টি হাসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সবার নজর কাড়ে। ‘ফুল কন্যা’ নামে পরিচিত সেই শিশুটির নাম ফাইজা। তার অসহায় জীবনের গল্প সামনে আসার পর এগিয়ে এসেছেন সিলেটের বিশিষ্ট শিল্পপতি ফাহিম আল আজাদ।
জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে আসার পর ফাহিম আল আজাদ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মাধ্যমে ফাইজার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি শিশুটির লেখাপড়া থেকে শুরু করে সার্বিক ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বলেন, একটি সুন্দর ফুলের মতো শিশুকে ঝরে যেতে দেওয়া যায় না। সমাজের দায়িত্ব হচ্ছে এমন শিশুদের পাশে দাঁড়ানো। তিনি জানান, যেখানেই দায়িত্বে থাকুন না কেন, ফাইজার খোঁজখবর রাখবেন এবং তার পাশে থাকবেন সবসময়। ফাইজাকে নিজের সন্তানের মতো দেখভাল করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
ফাইজার পারিবারিক অবস্থা অত্যন্ত করুণ। তার মা নেই, আর বাবা বেঁচে থাকলেও তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। ছোটবেলা থেকেই নানীর কাছেই বড় হয়েছে সে। নানী জানান, অনেক কষ্ট করে তিনি নাতনিকে লালন-পালন করেছেন। তবে কেউ যদি দায়িত্ব নিতে চান, তাহলে মেয়েটিকে নিজের কাছেই রেখে তার লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার অনুরোধ জানান তিনি।
এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশের কর্ণধার আতাউর রহমান বলেন, ফাহিম আল আজাদ-এর এই উদ্যোগ সিলেটের জন্য গর্বের। তিনি ফাইজার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
একটি ভাইরাল মুহূর্ত থেকেই শুরু হওয়া এই গল্প এখন হয়ে উঠেছে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত- যেখানে একজন শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে এগিয়ে এসেছে সমাজের দায়িত্বশীল মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন