যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছেন যে, ইরানে মার্কিন বাহিনীর ‘কঠোর আঘাত’ এখনো শুরুই হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করা এখনো বাকি এবং অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশটিতে ‘মূল আক্রমণ’ চালানো হবে। হোয়াইট হাউসের এই অনমনীয় অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী রূপ নিতে যাচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই রণকৌশলগত বার্তা প্রদান করেন। ইরানি জনগণকে তাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য সামরিক হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা পর্দার অন্তরালে সত্যিই তেমন কিছু পরিকল্পনা করছি। তবে এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান পরামর্শ হলো—ইরানের সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ স্থানে অবস্থান করেন। কারণ বাইরের বর্তমান পরিস্থিতি মোটেও নিরাপদ নয়।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে আরও বলেন যে, আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে। তার মতে, এখন পর্যন্ত ইরানে মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে যে সামরিক তৎপরতা চালানো হয়েছে, তা কেবল শুরু মাত্র। তিনি বলেন, “আমরা এখনো ইরানের ওপর আমাদের শক্তিমত্তার চূড়ান্ত প্রয়োগ শুরু করিনি। বড় ধরনের আসল হামলাটি এখনো বাকি রয়েছে; যা খুব শিগগিরই পরিচালিত হবে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য কেবল তেহরানের সামরিক বাহিনীর জন্য হুমকি নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতনের লক্ষ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধেরও অংশ। ওয়াশিংটনের এই মারমুখী অবস্থান এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ট্রাম্পের এই বার্তার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক মহাসংঘাতের প্রহর গুনছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছেন যে, ইরানে মার্কিন বাহিনীর ‘কঠোর আঘাত’ এখনো শুরুই হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনা করা এখনো বাকি এবং অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশটিতে ‘মূল আক্রমণ’ চালানো হবে। হোয়াইট হাউসের এই অনমনীয় অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী রূপ নিতে যাচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই রণকৌশলগত বার্তা প্রদান করেন। ইরানি জনগণকে তাদের দেশের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য সামরিক হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি ইতিবাচক সাড়া দেন। ট্রাম্প বলেন, “আমরা পর্দার অন্তরালে সত্যিই তেমন কিছু পরিকল্পনা করছি। তবে এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান পরামর্শ হলো—ইরানের সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদ স্থানে অবস্থান করেন। কারণ বাইরের বর্তমান পরিস্থিতি মোটেও নিরাপদ নয়।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে আরও বলেন যে, আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে। তার মতে, এখন পর্যন্ত ইরানে মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে যে সামরিক তৎপরতা চালানো হয়েছে, তা কেবল শুরু মাত্র। তিনি বলেন, “আমরা এখনো ইরানের ওপর আমাদের শক্তিমত্তার চূড়ান্ত প্রয়োগ শুরু করিনি। বড় ধরনের আসল হামলাটি এখনো বাকি রয়েছে; যা খুব শিগগিরই পরিচালিত হবে।”
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্য কেবল তেহরানের সামরিক বাহিনীর জন্য হুমকি নয়, বরং এটি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতনের লক্ষ্যে একটি মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধেরও অংশ। ওয়াশিংটনের এই মারমুখী অবস্থান এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ট্রাম্পের এই বার্তার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক মহাসংঘাতের প্রহর গুনছে।

আপনার মতামত লিখুন