মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর কেটে গেছে ২২ বছরেরও বেশি সময়। ২০২৬ সালে এসে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। অভিনয়ের পাশাপাশি আইটেম গানে পারফর্ম, নামী ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। ফলে তার সম্পদের পরিমাণও পৌঁছেছে ১০০ কোটিরও বেশি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তামান্না শুধু অভিনয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের পাশাপাশি চলতি বছর তিনি চালু করেছেন নিজের বিলাসবহুল গয়নার ব্র্যান্ড ‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’। সব মিলিয়ে সাফল্যের পালকে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।
মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে একাই থাকেন তামান্না। সেই বাড়িতে রয়েছে জাকুজি, ওয়াক-ইন ক্লোজেট, নান্দনিক ডাইনিং স্পেস, দামি আসবাবপত্র ও শিল্পকর্মের সমাহার। তার জীবনযাপন যেমন আভিজাত্যপূর্ণ, তেমনি সম্পদের পরিমাণও অনেকের কাছে ঈর্ষণীয়।
তবে এত অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েও টাকার প্রতি নিজের কোনো মোহ নেই বলেই দাবি করেছেন এই অভিনেত্রী।
এক সাক্ষাৎকারে তামান্না বলেন, “এত সম্পদ নিয়ে আমি কী করব, সত্যিই জানি না। মৃত্যুর পর তো কেউ টাকা-পয়সা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। তবু আমার ভেতরে নতুন কিছু করার এক ধরনের তাগিদ কাজ করে। সেই তাগিদ থেকেই আমি কাজ করি। এর মানে এই নয় যে আমি টাকার পেছনে ছুটি।”
তাহলে কী তাকে নিরন্তর কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে?
এই প্রশ্নের উত্তরে তামান্না বলেন, “আমার একটা অদ্ভুত লোভ আছে। আমি নিজেকে নতুন নতুন ভূমিকায় দেখতে ভালোবাসি। নিজের কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, কোনো কাজ করলে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে যতটা সম্ভব বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমি সেটাই করার চেষ্টা করি।”
অর্থাৎ তামান্নার কাছে সাফল্যের মাপকাঠি শুধু অর্থ নয়, বরং নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুনভাবে আবিষ্কার করা। আর সেই পথেই এগোতে গিয়েই তার সাফল্য ও সম্পদ দুটোই বেড়েছে সমানতালে।
তামান্নার এই দর্শন অনেকটাই মনে করিয়ে দেয় ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমায় আমির খান অভিনীত র্যাঞ্চো চরিত্রের বিখ্যাত সংলাপ— “কাবিল বনো, কামিয়াবি তো ঝক মারকে পিছে আয়েগি।” অর্থাৎ যোগ্যতা অর্জন করো, সাফল্য নিজেই তোমার পিছু নেবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘চাঁদ সা রোশন চেহরা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে পা রাখেন তামান্না ভাটিয়া। এরপর কেটে গেছে ২২ বছরেরও বেশি সময়। ২০২৬ সালে এসে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। অভিনয়ের পাশাপাশি আইটেম গানে পারফর্ম, নামী ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। ফলে তার সম্পদের পরিমাণও পৌঁছেছে ১০০ কোটিরও বেশি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তামান্না শুধু অভিনয়েই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের পাশাপাশি চলতি বছর তিনি চালু করেছেন নিজের বিলাসবহুল গয়নার ব্র্যান্ড ‘তামান্না ফাইন জুয়েলারি’। সব মিলিয়ে সাফল্যের পালকে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।
মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকায় সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে একাই থাকেন তামান্না। সেই বাড়িতে রয়েছে জাকুজি, ওয়াক-ইন ক্লোজেট, নান্দনিক ডাইনিং স্পেস, দামি আসবাবপত্র ও শিল্পকর্মের সমাহার। তার জীবনযাপন যেমন আভিজাত্যপূর্ণ, তেমনি সম্পদের পরিমাণও অনেকের কাছে ঈর্ষণীয়।
তবে এত অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েও টাকার প্রতি নিজের কোনো মোহ নেই বলেই দাবি করেছেন এই অভিনেত্রী।
এক সাক্ষাৎকারে তামান্না বলেন, “এত সম্পদ নিয়ে আমি কী করব, সত্যিই জানি না। মৃত্যুর পর তো কেউ টাকা-পয়সা সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। তবু আমার ভেতরে নতুন কিছু করার এক ধরনের তাগিদ কাজ করে। সেই তাগিদ থেকেই আমি কাজ করি। এর মানে এই নয় যে আমি টাকার পেছনে ছুটি।”
তাহলে কী তাকে নিরন্তর কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে?
এই প্রশ্নের উত্তরে তামান্না বলেন, “আমার একটা অদ্ভুত লোভ আছে। আমি নিজেকে নতুন নতুন ভূমিকায় দেখতে ভালোবাসি। নিজের কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, কোনো কাজ করলে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে যতটা সম্ভব বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমি সেটাই করার চেষ্টা করি।”
অর্থাৎ তামান্নার কাছে সাফল্যের মাপকাঠি শুধু অর্থ নয়, বরং নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুনভাবে আবিষ্কার করা। আর সেই পথেই এগোতে গিয়েই তার সাফল্য ও সম্পদ দুটোই বেড়েছে সমানতালে।
তামান্নার এই দর্শন অনেকটাই মনে করিয়ে দেয় ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমায় আমির খান অভিনীত র্যাঞ্চো চরিত্রের বিখ্যাত সংলাপ— “কাবিল বনো, কামিয়াবি তো ঝক মারকে পিছে আয়েগি।” অর্থাৎ যোগ্যতা অর্জন করো, সাফল্য নিজেই তোমার পিছু নেবে।

আপনার মতামত লিখুন