বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম সাগরের ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে উপজেলা যুবদল।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে জহুরুল ইসলাম সাগর ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করছেন। ভিডিওতে তার সঙ্গে আরও একজনকে দেখা গেলেও তাকে শনাক্ত করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, সঙ্গে থাকা কোনো ব্যক্তি সাগরের অজান্তেই ভিডিওটি ধারণ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জহুরুল ইসলাম সাগরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া তিনি বাড়িতেও না থাকায় তার কোনো প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম সাগর বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। তিনি ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সেবন ও মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। সম্প্রতি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে সাগরের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, "যুবদলে কোনো মাদকসেবী বা সন্ত্রাসীর স্থান নেই। ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে জহুরুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বিষয় : বিএনপি

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বগুড়ার ধুনটে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল ইসলাম সাগরের ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে উপজেলা যুবদল।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বারান্দায় খাটের ওপর বসে জহুরুল ইসলাম সাগর ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করছেন। ভিডিওতে তার সঙ্গে আরও একজনকে দেখা গেলেও তাকে শনাক্ত করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, সঙ্গে থাকা কোনো ব্যক্তি সাগরের অজান্তেই ভিডিওটি ধারণ করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জহুরুল ইসলাম সাগরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া তিনি বাড়িতেও না থাকায় তার কোনো প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, জহুরুল ইসলাম সাগর বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভুতবাড়ি গ্রামের সামসুল হকের ছেলে। তিনি ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সেবন ও মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাননি। সম্প্রতি ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে সাগরের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি নেতাকর্মীদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মধু বলেন, "যুবদলে কোনো মাদকসেবী বা সন্ত্রাসীর স্থান নেই। ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে জহুরুল ইসলাম সাগরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন