নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় খরিপ-২ মৌসুমে উফশী রোপা আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে এসব কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী কৃষকরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের কৃষিকাজে আরও উৎসাহিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে এ সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এ ধরনের প্রণোদনা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মোট ১ হাজার ৬৬০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি সহায়তা দেওয়া হবে। প্রতিজন কৃষক পাচ্ছেন ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার।
কৃষকরা জানান, আবাদ মৌসুমের শুরুতেই বীজ ও সার সহায়তা পাওয়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমবে। তারা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় খরিপ-২ মৌসুমে উফশী রোপা আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষকদের হাতে এসব কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপকারভোগী কৃষকরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কৃষিবিদ মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের কৃষিকাজে আরও উৎসাহিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে এ সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এ ধরনের প্রণোদনা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মোট ১ হাজার ৬৬০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি সহায়তা দেওয়া হবে। প্রতিজন কৃষক পাচ্ছেন ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার।
কৃষকরা জানান, আবাদ মৌসুমের শুরুতেই বীজ ও সার সহায়তা পাওয়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমবে। তারা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন