জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে চলতি বছরের মে মাসে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক। বিভাগের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে উপজেলাটি। শূণ্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের উপর এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে রবিবার পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের হল রুমে এ পুরষ্কারটি গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হকের হাতে তুলে দেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক জুয়েল রানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, মে মাসে গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জন হয়েছে ৪২৯টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি। অর্জিত হয়েছে ২১৯টি। শতাংশের হিসাবে এ উপজেলায় জন্ম নিবন্ধনের কাজ হয়েছে ১০০ শতাংশ। মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ হয়েছে ১৮৯ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে গড়ে কাজ হয়েছে ১৪৫ শতাংশ। যা বরিশাল বিভাগের মধ্যে শীর্ষ স্থানে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘একটি পুরষ্কার পাওয়া মানে দায়িত্ব আরো বেড়ে যায়। বিষয়টিতে আমি আনন্দিত। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে ইউএনওর কাজ মূলত তদারকি করা। সত্যিকার অর্থে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের কাজকে একই সুঁতোয় গাঁথা গেছে বলেই আজকের এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে চলতি বছরের মে মাসে বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক। বিভাগের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলার মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে উপজেলাটি। শূণ্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের উপর এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে রবিবার পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের হল রুমে এ পুরষ্কারটি গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হকের হাতে তুলে দেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক জুয়েল রানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, মে মাসে গলাচিপা উপজেলার জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্জন হয়েছে ৪২৯টি। মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি। অর্জিত হয়েছে ২১৯টি। শতাংশের হিসাবে এ উপজেলায় জন্ম নিবন্ধনের কাজ হয়েছে ১০০ শতাংশ। মৃত্যু নিবন্ধনের কাজ হয়েছে ১৮৯ শতাংশ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে গড়ে কাজ হয়েছে ১৪৫ শতাংশ। যা বরিশাল বিভাগের মধ্যে শীর্ষ স্থানে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘একটি পুরষ্কার পাওয়া মানে দায়িত্ব আরো বেড়ে যায়। বিষয়টিতে আমি আনন্দিত। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে ইউএনওর কাজ মূলত তদারকি করা। সত্যিকার অর্থে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের কাজকে একই সুঁতোয় গাঁথা গেছে বলেই আজকের এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাদের সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

আপনার মতামত লিখুন