ইমান আশুরের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গিয়েও বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়া হলো না মিশরের। দ্বিতীয়ার্ধে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
সোমবার (১৫ জুন) সিয়াটল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে বেলজিয়ামের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করে মিশর।
১৯ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে মিশরের পক্ষে। মোহাম্মদ সালাহর সহায়তায় ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ইমান আশুরের দুর্দান্ত শটে কোনো সুযোগই পাননি বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল আশুরের প্রথম গোল, যা মিশরকে এগিয়ে দেয় ১-০ ব্যবধানে।
গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে আফ্রিকার দলটি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মিশর। সংগঠিত রক্ষণ ও কৌশলগত শৃঙ্খলার কারণে বেলজিয়ামের আক্রমণভাগ কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। মাঝমাঠে কেভিন ডি ব্রুইনা নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও মিশরের রক্ষণভাগ তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা বাড়ায় বেলজিয়াম। ৫৩ মিনিটে ডি ব্রুইনার নেওয়া ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে এলে সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের। তবে ৬৬ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। রোমেলু লুকাকুকে ঠেকাতে গিয়ে চাপের মুখে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তার আত্মঘাতী গোলে ১-১ সমতায় ফেরে ইউরোপীয় দলটি।
ম্যাচের শেষ ভাগে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে একাধিক আক্রমণ সত্ত্বেও আর কোনো দলই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ফলে সমতায় শেষ হয় ম্যাচ এবং উভয় দলই একটি করে পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
মিশরের আক্রমণের প্রধান ভরসা ছিলেন মোহাম্মদ সালাহ। শুরু থেকেই তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ। সরাসরি গোলের সুযোগ না পেলেও সতীর্থদের নিয়ে আক্রমণ সাজাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। অন্যদিকে বেলজিয়ামের হয়ে রোমেলু লুকাকু ও কেভিন ডি ব্রুইনা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও মিশরের সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের সাফল্য পেতে দেয়নি।
জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী গোলের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে মিশরকে। আর বেলজিয়ামকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে একটি অর্জিত পয়েন্ট নিয়েই।
#আর ইউ এস
বিষয় : বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ইমান আশুরের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গিয়েও বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়া হলো না মিশরের। দ্বিতীয়ার্ধে মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের সমতায় পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।
সোমবার (১৫ জুন) সিয়াটল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। বলের দখলে পিছিয়ে থাকলেও দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে বেলজিয়ামের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করে মিশর।
১৯ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে মিশরের পক্ষে। মোহাম্মদ সালাহর সহায়তায় ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ইমান আশুরের দুর্দান্ত শটে কোনো সুযোগই পাননি বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়া। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি ছিল আশুরের প্রথম গোল, যা মিশরকে এগিয়ে দেয় ১-০ ব্যবধানে।
গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে আফ্রিকার দলটি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ম্যাচে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মিশর। সংগঠিত রক্ষণ ও কৌশলগত শৃঙ্খলার কারণে বেলজিয়ামের আক্রমণভাগ কার্যকর হয়ে উঠতে পারেনি। মাঝমাঠে কেভিন ডি ব্রুইনা নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও মিশরের রক্ষণভাগ তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা বাড়ায় বেলজিয়াম। ৫৩ মিনিটে ডি ব্রুইনার নেওয়া ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে এলে সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের। তবে ৬৬ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। রোমেলু লুকাকুকে ঠেকাতে গিয়ে চাপের মুখে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। তার আত্মঘাতী গোলে ১-১ সমতায় ফেরে ইউরোপীয় দলটি।
ম্যাচের শেষ ভাগে দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তবে একাধিক আক্রমণ সত্ত্বেও আর কোনো দলই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ফলে সমতায় শেষ হয় ম্যাচ এবং উভয় দলই একটি করে পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
মিশরের আক্রমণের প্রধান ভরসা ছিলেন মোহাম্মদ সালাহ। শুরু থেকেই তাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রাখে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ। সরাসরি গোলের সুযোগ না পেলেও সতীর্থদের নিয়ে আক্রমণ সাজাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। অন্যদিকে বেলজিয়ামের হয়ে রোমেলু লুকাকু ও কেভিন ডি ব্রুইনা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও মিশরের সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের সাফল্য পেতে দেয়নি।
জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত আত্মঘাতী গোলের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে মিশরকে। আর বেলজিয়ামকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে একটি অর্জিত পয়েন্ট নিয়েই।
#আর ইউ এস

আপনার মতামত লিখুন