ঢাকা    মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

অনলাইন শিক্ষা বনাম প্রচলিত শিক্ষা: বাস্তবতার নিরিখ কোন দিকে?


আরিফ হোসেন
আরিফ হোসেন
প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬

অনলাইন শিক্ষা বনাম প্রচলিত শিক্ষা: বাস্তবতার নিরিখ কোন দিকে?

বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রযুক্তির প্রসারের ফলে অনলাইন শিক্ষা আজ শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়, তখন অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

অন্যদিকে, প্রচলিত শিক্ষা বা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা দীর্ঘদিন ধরে জ্ঞানার্জনের সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই দুই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বিভিন্ন দিক থেকে পার্থক্য থাকলেও উভয়েরই কিছু বিশেষ সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। 

অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে, ফলে সময় ও যাতায়াত ব্যয় কমে যায় এবং শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধামতো শিক্ষালাভ করতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল লাইব্রেরির মাধ্যমে বিশ্বমানের শিক্ষাসামগ্রী সহজেই অর্জন করা সম্ভব হয়। 

শিক্ষাবিদরা মনে করেন, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার শিক্ষাকে আরও গণমুখী এবং সহজলভ্য করে তুলতে পারে, যার ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থী মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়। একইভাবে তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে অনেক ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখার সক্ষমতা অর্জন করে। ফলে অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 

তবে এই শিক্ষাপদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে পাঠদান ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির শিকার হতে পারে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিচ্যুত হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। 

অন্যদিকে, প্রচলিত শিক্ষা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও প্রাণবন্ত ও কার্যকর করে তোলে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হন। শিক্ষাতাত্ত্বিক বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষা কেবল তথ্য অর্জনের প্রক্রিয়া নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব বিকাশের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দলগত কাজ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামাজিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে। 

এছাড়া তাঁর শিক্ষাতাত্ত্বিক ধারণায় সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে শেখার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের জ্ঞানীয় বিকাশ অনেকাংশে সামাজিক পরিবেশ ও পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে প্রচলিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে প্রচলিত শিক্ষার ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা অনেক সময় শিক্ষার্থীদের জন্য অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যাতায়াতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয় এবং কোনো কারণে ক্লাস মিস হলে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ পাঠ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এছাড়া অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থী সমান মনোযোগ পায় না। 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে অনলাইন শিক্ষা এবং প্রচলিত শিক্ষা একে অপরের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। অনলাইন শিক্ষা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, নমনীয়তা এবং বৈশ্বিক শিক্ষার সুযোগ প্রদান করে, যেখানে প্রচলিত শিক্ষা সামাজিকীকরণ, মূল্যবোধ গঠন এবং কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে ব্লেন্ডেড লার্নিং বা অনলাইন ও প্রচলিত শিক্ষার সমন্বিত পদ্ধতিই ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযোগী মডেল। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার ইতিবাচক দিকগুলোও উপভোগ করতে পারে। 

সুতরাং বলা যায়, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য অনলাইন শিক্ষা ও প্রচলিত শিক্ষার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রযুক্তির উদ্ভাবনী শক্তি এবং মানবিক যোগাযোগের মূল্য সমানভাবে গুরুত্ব পাবে, যাতে শিক্ষার্থীরা কেবল পরীক্ষায় সফল না হয়ে বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও সক্ষম হয়ে উঠতে পারে।

লেখক: শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

#আরইউএস

বিষয় : শিক্ষা

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


অনলাইন শিক্ষা বনাম প্রচলিত শিক্ষা: বাস্তবতার নিরিখ কোন দিকে?

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রযুক্তির প্রসারের ফলে অনলাইন শিক্ষা আজ শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় যখন বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়, তখন অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

অন্যদিকে, প্রচলিত শিক্ষা বা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা দীর্ঘদিন ধরে জ্ঞানার্জনের সবচেয়ে কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই দুই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বিভিন্ন দিক থেকে পার্থক্য থাকলেও উভয়েরই কিছু বিশেষ সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। 

অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে, ফলে সময় ও যাতায়াত ব্যয় কমে যায় এবং শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধামতো শিক্ষালাভ করতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল লাইব্রেরির মাধ্যমে বিশ্বমানের শিক্ষাসামগ্রী সহজেই অর্জন করা সম্ভব হয়। 

শিক্ষাবিদরা মনে করেন, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার শিক্ষাকে আরও গণমুখী এবং সহজলভ্য করে তুলতে পারে, যার ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থী মানসম্পন্ন শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়। একইভাবে তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে অনেক ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শেখার সক্ষমতা অর্জন করে। ফলে অনলাইন শিক্ষা শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 

তবে এই শিক্ষাপদ্ধতির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে পাঠদান ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির শিকার হতে পারে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিচ্যুত হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। 

অন্যদিকে, প্রচলিত শিক্ষা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে, যা শেখার প্রক্রিয়াকে আরও প্রাণবন্ত ও কার্যকর করে তোলে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের সমস্যা চিহ্নিত করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হন। শিক্ষাতাত্ত্বিক বিশ্বাস করতেন যে শিক্ষা কেবল তথ্য অর্জনের প্রক্রিয়া নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যক্তিত্ব বিকাশের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা সহপাঠীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দলগত কাজ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সামাজিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে। 

এছাড়া তাঁর শিক্ষাতাত্ত্বিক ধারণায় সামাজিক মিথস্ক্রিয়াকে শেখার অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের জ্ঞানীয় বিকাশ অনেকাংশে সামাজিক পরিবেশ ও পারস্পরিক যোগাযোগের ওপর নির্ভরশীল। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করলে প্রচলিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে প্রচলিত শিক্ষার ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা অনেক সময় শিক্ষার্থীদের জন্য অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যাতায়াতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয় এবং কোনো কারণে ক্লাস মিস হলে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ পাঠ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। এছাড়া অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থী সমান মনোযোগ পায় না। 

উপরোক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে অনলাইন শিক্ষা এবং প্রচলিত শিক্ষা একে অপরের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। অনলাইন শিক্ষা প্রযুক্তিগত দক্ষতা, নমনীয়তা এবং বৈশ্বিক শিক্ষার সুযোগ প্রদান করে, যেখানে প্রচলিত শিক্ষা সামাজিকীকরণ, মূল্যবোধ গঠন এবং কার্যকর যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে ব্লেন্ডেড লার্নিং বা অনলাইন ও প্রচলিত শিক্ষার সমন্বিত পদ্ধতিই ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযোগী মডেল। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার ইতিবাচক দিকগুলোও উপভোগ করতে পারে। 

সুতরাং বলা যায়, শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য অনলাইন শিক্ষা ও প্রচলিত শিক্ষার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থা এমন হওয়া উচিত যেখানে প্রযুক্তির উদ্ভাবনী শক্তি এবং মানবিক যোগাযোগের মূল্য সমানভাবে গুরুত্ব পাবে, যাতে শিক্ষার্থীরা কেবল পরীক্ষায় সফল না হয়ে বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও সক্ষম হয়ে উঠতে পারে।

লেখক: শিক্ষার্থী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

#আরইউএস


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ