পুলিশি বাধা, গ্রেপ্তার ও মব সন্ত্রাসের মুখেও সারাদেশে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানে এক ব্যতিক্রমী পোস্টারিং কর্মসূচি স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মংটিং ওয়াইং মারমার নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জনগণের দাবি সম্বলিত পোস্টারিং কর্মসূচি করা হয়।
পোস্টারে জনগণের তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথমত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আইনিভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
তৃতীয়ত, গত ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় কারাবন্দি সকল রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করা হয়।
কর্মসূচির পর মংটিং ওয়াইং মারমা পোস্টারের ছবি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন এবং এক সাহসী বার্তায় জানান, এই পোস্টারিংয়ের কারণে যেন অন্য কোনো ছাত্রলীগ সদস্যকে হয়রানি করা না হয়।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি পোস্টারে উল্লিখিত দাবিগুলোকে অপরাধ মনে করে, তাহলে তারা যেন তাঁকেই গ্রেপ্তার করে অন্য কাউকে নয়।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর থেকে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার ও মামলার ঘটনা ঘটছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
পুলিশি বাধা, গ্রেপ্তার ও মব সন্ত্রাসের মুখেও সারাদেশে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানে এক ব্যতিক্রমী পোস্টারিং কর্মসূচি স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মংটিং ওয়াইং মারমার নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জনগণের দাবি সম্বলিত পোস্টারিং কর্মসূচি করা হয়।
পোস্টারে জনগণের তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়। প্রথমত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আইনিভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
তৃতীয়ত, গত ৫ আগস্টের পর দায়ের হওয়া মামলায় কারাবন্দি সকল রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করা হয়।
কর্মসূচির পর মংটিং ওয়াইং মারমা পোস্টারের ছবি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন এবং এক সাহসী বার্তায় জানান, এই পোস্টারিংয়ের কারণে যেন অন্য কোনো ছাত্রলীগ সদস্যকে হয়রানি করা না হয়।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কর্তৃপক্ষ যদি পোস্টারে উল্লিখিত দাবিগুলোকে অপরাধ মনে করে, তাহলে তারা যেন তাঁকেই গ্রেপ্তার করে অন্য কাউকে নয়।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর থেকে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে গ্রেপ্তার ও মামলার ঘটনা ঘটছে।

আপনার মতামত লিখুন