রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যান্সার আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ এবং চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের লাঞ্ছনার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে বুধবার (২০ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোজিনা বেগম গত ৮ মে দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ মে বিকেল ৪টায় তার মৃত্যু হয়। তিনি চতুর্থ স্টেজের ক্যান্সারে ভুগছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় গাফিলতি ও ভুল অপারেশনের অভিযোগ তুললেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোগীর কোনো অস্ত্রোপচার করা হয়নি এবং সব চিকিৎসা প্রটোকল অনুসরণ করেই তাকে সেবা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রোগীর অবস্থার বিষয়ে নিয়মিতভাবে স্বজনদের অবহিত করা হয়েছে। ফোনে ও সরাসরি উপস্থিত হয়ে তারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে রোগীর অবস্থা সম্পর্কে ব্রিফিং পেয়েছেন বলেও দাবি হাসপাতালের।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর সময় রোগীর বকেয়া বিল ছিল ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৬ টাকা। এই বিল পরিশোধ না করেই মরদেহ ছাড়িয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর শারীরিক লাঞ্ছনা, গালিগালাজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগও আনা হয়েছে।
ঘটনার পর রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ১৬ মে ঘটনার পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও আইসিইউ বিশেষজ্ঞকে হেনস্তার অভিযোগও উঠে আসে।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যান্সার আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যু ঘিরে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার অভিযোগ এবং চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের লাঞ্ছনার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে বুধবার (২০ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোজিনা বেগম গত ৮ মে দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ মে বিকেল ৪টায় তার মৃত্যু হয়। তিনি চতুর্থ স্টেজের ক্যান্সারে ভুগছিলেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
মৃত্যুর পর রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় গাফিলতি ও ভুল অপারেশনের অভিযোগ তুললেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোগীর কোনো অস্ত্রোপচার করা হয়নি এবং সব চিকিৎসা প্রটোকল অনুসরণ করেই তাকে সেবা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রোগীর অবস্থার বিষয়ে নিয়মিতভাবে স্বজনদের অবহিত করা হয়েছে। ফোনে ও সরাসরি উপস্থিত হয়ে তারা চিকিৎসকদের কাছ থেকে রোগীর অবস্থা সম্পর্কে ব্রিফিং পেয়েছেন বলেও দাবি হাসপাতালের।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর সময় রোগীর বকেয়া বিল ছিল ৭ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৬ টাকা। এই বিল পরিশোধ না করেই মরদেহ ছাড়িয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর শারীরিক লাঞ্ছনা, গালিগালাজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগও আনা হয়েছে।
ঘটনার পর রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ১৬ মে ঘটনার পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও আইসিইউ বিশেষজ্ঞকে হেনস্তার অভিযোগও উঠে আসে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন