রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান তীব্র তাপদাহে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রখর রোদ ও অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও পথচারীরা। দিনের বেলায় সড়কে মানুষের চলাচলও তুলনামূলক কমে গেছে। এদিকে অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান, স্যালাইন গ্রহণ, হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা জরুরি। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি কিংবা হালকা রঙের পোশাক ব্যবহারেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান তীব্র তাপদাহে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রখর রোদ ও অসহনীয় গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, রিকশাচালক, নির্মাণশ্রমিক ও পথচারীরা। দিনের বেলায় সড়কে মানুষের চলাচলও তুলনামূলক কমে গেছে। এদিকে অতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচণ্ড গরমে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান, স্যালাইন গ্রহণ, হালকা ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা জরুরি। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি কিংবা হালকা রঙের পোশাক ব্যবহারেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি বাড়তি সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন