কক্সবাজারে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়। বক্তারা বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং সহনশীল সমাজ গঠনে নারীদের বাদ দিয়ে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব নয়।
রোববার (২৪ মে) সকাল ১০টায় কক্সবাজার অরুণোদয় স্কুলের সভাকক্ষে ‘জলবায়ু ও নারী: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ জেলা পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এন জেড একতা মহিলা সমিতি ও জাগো নারী উন্নয়ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ‘এম্পাওয়ার: উইমেন ফর ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট সোসাইটিজ (ফেইজ-২)’ প্রকল্পের আওতায় ইউএন উইমেনের অর্থায়ন এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা ছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজহার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আজহার উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সবার ওপর পড়লেও নারীরা এতে বেশি ও বহুমাত্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনে নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।
সভায় বক্তারা বলেন, পানিসংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং জলবায়ুজনিত চাপ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে নারীদের দৈনন্দিন জীবনে। নিরাপদ পানির অভাবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া, স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা, পারিবারিক সহিংসতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নারীদের সংকট আরও গভীর করছে।
তারা আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, নারী নেত্রী, পরিবেশকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমাজ উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
কক্সবাজারে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এক মতবিনিময় সভায়। বক্তারা বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং সহনশীল সমাজ গঠনে নারীদের বাদ দিয়ে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব নয়।
রোববার (২৪ মে) সকাল ১০টায় কক্সবাজার অরুণোদয় স্কুলের সভাকক্ষে ‘জলবায়ু ও নারী: সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এ জেলা পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এন জেড একতা মহিলা সমিতি ও জাগো নারী উন্নয়ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ‘এম্পাওয়ার: উইমেন ফর ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট সোসাইটিজ (ফেইজ-২)’ প্রকল্পের আওতায় ইউএন উইমেনের অর্থায়ন এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা ছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজহার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আজহার উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সবার ওপর পড়লেও নারীরা এতে বেশি ও বহুমাত্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল সমাজ গঠনে নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন তীব্র হচ্ছে। ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।
সভায় বক্তারা বলেন, পানিসংকট, নিরাপত্তাহীনতা এবং জলবায়ুজনিত চাপ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে নারীদের দৈনন্দিন জীবনে। নিরাপদ পানির অভাবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া, স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা, পারিবারিক সহিংসতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নারীদের সংকট আরও গভীর করছে।
তারা আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, নারী নেত্রী, পরিবেশকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমাজ উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন