বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭০টি দোকান ও ৭টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার (১৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের অধিকাংশ দোকান কাঠ ও বাঁশের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ঘটনার পর মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করা হলে আশপাশের মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে ততক্ষণে বেশিরভাগ দোকান ও বসতঘর আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। কেউই দোকান থেকে মালামাল সরানোর সুযোগ পাননি। খবর পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম পাহাড়ি পথের কারণে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের যৌথ চেষ্টায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যচিংশৈ মারমা বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী। তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎসই এখন ধ্বংস হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্ধারণে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতেও একই বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছিল। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আবারও একই ধরনের দুর্ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বান্দরবান সদর উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭০টি দোকান ও ৭টি বসতঘর সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারিয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার (১৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের অধিকাংশ দোকান কাঠ ও বাঁশের তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ঘটনার পর মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করা হলে আশপাশের মানুষ আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে ততক্ষণে বেশিরভাগ দোকান ও বসতঘর আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। কেউই দোকান থেকে মালামাল সরানোর সুযোগ পাননি। খবর পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দুর্গম পাহাড়ি পথের কারণে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের যৌথ চেষ্টায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। জামছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যচিংশৈ মারমা বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী। তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎসই এখন ধ্বংস হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্ধারণে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতেও একই বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছিল। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আবারও একই ধরনের দুর্ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন