ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সাহসী অবস্থানের কারণে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী মন্দানা করিমি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং একাকিত্বের বোধ থেকেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
যেখানে যাচ্ছেন বা নিরাপত্তার সুনির্দিষ্ট কারণ কী, তা দেশ ছাড়ার আগে প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক মন্দানা।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসনামলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত মন্দানা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়। তিনি জানান, নিজের দেশের মানুষের অধিকার এবং বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে তাকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।
মন্দানা স্পষ্ট করেছেন, ভারতে থেকে ইরানের সমর্থনে আওয়াজ তোলা, কর্মকর্তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই চালানো এখন তার জন্য অর্থহীন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই লড়াইয়ের কারণে তাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি পেয়েও থাকতে হয়েছে।
হতাশা ব্যক্ত করে মন্দানা জানান, এই কঠিন সময়ে তিনি বন্ধু-বান্ধব, সরকার বা সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি। ভারতের মাটিতে নিজেকে আর নিরাপদ মনে না করার এটিই প্রধান কারণ। তবে সমর্থন না পেলেও নিজের আদর্শ থেকে তিনি বিচ্যুত হননি। তার মতে, সবকিছুই হচ্ছে ইরান এবং নিজের দেশের মানুষের স্বার্থে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আবারও তিনি একইভাবে সোচ্চার হবেন।
দেশ ছাড়ার ঘোষণা দিলেও ইরানের মুক্তি আন্দোলনের প্রতি তার সংহতি অটল রয়েছে। রেজা পাহলভির নেতৃত্বে ইরানের রাস্তাঘাট ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে পরিবর্তনের ডাক শুরু হয়েছে, এবার তা অনেক বেশি সুসংগঠিত হয়ে উঠেছে বলে তার বিশ্বাস।
ভারত ছাড়লেও বিদেশের মাটিতে বসে নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই অভিনেত্রী।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সাহসী অবস্থানের কারণে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী মন্দানা করিমি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং একাকিত্বের বোধ থেকেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
যেখানে যাচ্ছেন বা নিরাপত্তার সুনির্দিষ্ট কারণ কী, তা দেশ ছাড়ার আগে প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক মন্দানা।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাসনামলের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত মন্দানা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়। তিনি জানান, নিজের দেশের মানুষের অধিকার এবং বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে তাকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।
মন্দানা স্পষ্ট করেছেন, ভারতে থেকে ইরানের সমর্থনে আওয়াজ তোলা, কর্মকর্তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই চালানো এখন তার জন্য অর্থহীন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই লড়াইয়ের কারণে তাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি পেয়েও থাকতে হয়েছে।
হতাশা ব্যক্ত করে মন্দানা জানান, এই কঠিন সময়ে তিনি বন্ধু-বান্ধব, সরকার বা সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাননি। ভারতের মাটিতে নিজেকে আর নিরাপদ মনে না করার এটিই প্রধান কারণ। তবে সমর্থন না পেলেও নিজের আদর্শ থেকে তিনি বিচ্যুত হননি। তার মতে, সবকিছুই হচ্ছে ইরান এবং নিজের দেশের মানুষের স্বার্থে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আবারও তিনি একইভাবে সোচ্চার হবেন।
দেশ ছাড়ার ঘোষণা দিলেও ইরানের মুক্তি আন্দোলনের প্রতি তার সংহতি অটল রয়েছে। রেজা পাহলভির নেতৃত্বে ইরানের রাস্তাঘাট ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে পরিবর্তনের ডাক শুরু হয়েছে, এবার তা অনেক বেশি সুসংগঠিত হয়ে উঠেছে বলে তার বিশ্বাস।
ভারত ছাড়লেও বিদেশের মাটিতে বসে নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই অভিনেত্রী।

আপনার মতামত লিখুন