ঢাকা    বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

আর্থিক স্বচ্ছতা নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ


শিক্ষা ডেস্ক :
শিক্ষা ডেস্ক :
প্রকাশ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী পুনঃভর্তি হলেও তার কাছ থেকে কোনোভাবেই পুনঃভর্তি ফি আদায় করা যাবে না।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪ অনুযায়ী নির্ধারিত টিউশন ফি গ্রহণ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে নতুন কোনো খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব পরিচালিত হবে এবং তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে সংরক্ষণ করতে হবে।

পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলতে হলে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংককে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ধরনের ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) কিংবা সরকারি মালিকানাধীন অন্যান্য ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ করা যাবে। সে ক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থ দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করতে হলে তাদের অনুমোদন নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত খাতে আদায়কৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হবে।

বিষয় : শিক্ষা PrivateSchool StudentFee BangladeshEducation ভর্তি_ফি

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী পুনঃভর্তি হলেও তার কাছ থেকে কোনোভাবেই পুনঃভর্তি ফি আদায় করা যাবে না।


বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪ অনুযায়ী নির্ধারিত টিউশন ফি গ্রহণ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে নতুন কোনো খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না।


নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব পরিচালিত হবে এবং তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে সংরক্ষণ করতে হবে।


পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।


আয় ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলতে হলে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংককে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ধরনের ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) কিংবা সরকারি মালিকানাধীন অন্যান্য ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।


তবে জরুরি প্রয়োজনে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ করা যাবে। সে ক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থ দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করতে হলে তাদের অনুমোদন নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত খাতে আদায়কৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ