ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ ও অভিযোগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভার পশু হাসপাতাল রোড এলাকায় ‘ক্যাব’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ও প্রকাশ্যে মাদক সরবরাহ করে আসছে। এতে উঠতি বয়সী কিশোর ও যুবকদের একটি অংশ মাদকের ভয়াল ছোবলে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কথিত মাদকচক্রের তৎপরতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তরুণদের কেউ কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। এতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। একই সঙ্গে ‘ক্যাব’ নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকের কারণে শুধু তরুণ সমাজই নয়, পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে ‘ক্যাব’ নামে পরিচিত ওই ব্যক্তির বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “মাদক ব্যবসা করি এবং মাদক খাই, পারলে কিছু কইরেন।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স। খোঁজখবর নিচ্ছি। মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ ও অভিযোগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, পৌরসভার পশু হাসপাতাল রোড এলাকায় ‘ক্যাব’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ও প্রকাশ্যে মাদক সরবরাহ করে আসছে। এতে উঠতি বয়সী কিশোর ও যুবকদের একটি অংশ মাদকের ভয়াল ছোবলে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কথিত মাদকচক্রের তৎপরতার কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তরুণদের কেউ কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। এতে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, এলাকায় মাদকের বিস্তার ঠেকাতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। একই সঙ্গে ‘ক্যাব’ নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকের কারণে শুধু তরুণ সমাজই নয়, পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাপনও হুমকির মুখে পড়ছে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে ‘ক্যাব’ নামে পরিচিত ওই ব্যক্তির বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “মাদক ব্যবসা করি এবং মাদক খাই, পারলে কিছু কইরেন।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স। খোঁজখবর নিচ্ছি। মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন