গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সংগঠনটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, তাদের আন্দোলন অটোরিকশা কিংবা চালকদের জীবিকার বিরুদ্ধে নয়। মূল উদ্দেশ্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সড়কব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এজন্য সব ধরনের যানবাহনকে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।
সমাবেশ থেকে পাঁচটি প্রধান দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—শুধু লাইসেন্সধারী অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া, প্রধান ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে অটোরিকশা চলাচল সীমিত করা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপদ বিকল্প গণপরিবহন নিশ্চিত করা এবং অটোরিকশাচালকদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করা।
ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশার কারণে যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু এখনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অটোরিকশা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি চালকদের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানান তিনি। চালকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি।
রাজধানীর পরিবহনব্যবস্থা ও যানজটের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও সমাবেশে কথা বলেন তিনি। তার মতে, অনিয়ন্ত্রিত পরিবহনব্যবস্থা ও দীর্ঘ যানজট নাগরিক জীবনকে দুর্বিষহ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয় সমাবেশ থেকে।
সমাবেশে গুলশান সোসাইটির মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা, সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী দিলানসহ গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের বাসিন্দারা অংশ নেন। তারা পাঁচ দফা দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে সংগঠনটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, তাদের আন্দোলন অটোরিকশা কিংবা চালকদের জীবিকার বিরুদ্ধে নয়। মূল উদ্দেশ্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সড়কব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এজন্য সব ধরনের যানবাহনকে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন তিনি।
সমাবেশ থেকে পাঁচটি প্রধান দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো—শুধু লাইসেন্সধারী অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া, প্রধান ও ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে অটোরিকশা চলাচল সীমিত করা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়া, নিরাপদ বিকল্প গণপরিবহন নিশ্চিত করা এবং অটোরিকশাচালকদের জন্য বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করা।
ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশার কারণে যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু এখনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অটোরিকশা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি চালকদের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানান তিনি। চালকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি।
রাজধানীর পরিবহনব্যবস্থা ও যানজটের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও সমাবেশে কথা বলেন তিনি। তার মতে, অনিয়ন্ত্রিত পরিবহনব্যবস্থা ও দীর্ঘ যানজট নাগরিক জীবনকে দুর্বিষহ করার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয় সমাবেশ থেকে।
সমাবেশে গুলশান সোসাইটির মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা, সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী দিলানসহ গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের বাসিন্দারা অংশ নেন। তারা পাঁচ দফা দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন