বিআরটিসি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে ১০টি বাস দিয়ে পিংক বাস সার্ভিসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকার বাইরে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস এ সেবার আওতায় চলবে।
রাজধানীতে নির্ধারিত নয়টি রুটের প্রথমটি নতুন বাজার (কোকাকোলা) থেকে মতিঝিল। বাসগুলো কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।
তালতলা থেকে মতিঝিল রুটের বাস তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে পৌঁছাবে।
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে জিপিও রুটে বাস চলবে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে।
মিরপুর-১০ থেকে মতিঝিল রুটে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে বাস চলবে। আর মিরপুর থেকে মতিঝিলের আরেকটি রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ ও গুলিস্তান হয়ে বাস গন্তব্যে যাবে।
মিরপুর-১২ থেকে মতিঝিলের আরেক রুটে বাস চলবে মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে।
মোহাম্মদপুর থেকে মতিঝিল রুটে বাসগুলো মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে চলাচল করবে।
আব্দুল্লাহপুর থেকে মতিঝিল রুটে বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে পিংক বাস চলবে।
নবম রুটটি গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত। এ রুটে গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বাস।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বলেছেন, শুধু বাসের সংখ্যা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি। উদ্বোধনের সময় যে মানের সেবা দেওয়া হচ্ছে, পরবর্তী সময়ে তা আরও উন্নত করতে বিআরটিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে।
ঢাকার বিদ্যমান গণপরিবহন রুট ব্যবস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এমন কিছু রুটের পারমিট রয়েছে যেগুলোর কার্যত অস্তিত্ব নেই। আবার কিছু এলাকায় অনুমোদিত পারমিট না থাকলেও বাস চলাচল করছে। যাত্রীচাপ ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে রুট পারমিট এবং চলাচলের পথগুলো রেশনালাইজ করে নতুনভাবে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবহন খাত আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সরাসরি ২০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এসব বাসের মধ্যেও নারীদের জন্য পৃথক বাস রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর পরিবহন কমিয়ে রাজধানীতে পরিবেশবান্ধব ও মাল্টিমোডাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিআরটিসি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে ১০টি বাস দিয়ে পিংক বাস সার্ভিসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঢাকার বাইরে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাস এ সেবার আওতায় চলবে।
রাজধানীতে নির্ধারিত নয়টি রুটের প্রথমটি নতুন বাজার (কোকাকোলা) থেকে মতিঝিল। বাসগুলো কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।
তালতলা থেকে মতিঝিল রুটের বাস তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে পৌঁছাবে।
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে জিপিও রুটে বাস চলবে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে।
মিরপুর-১০ থেকে মতিঝিল রুটে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে বাস চলবে। আর মিরপুর থেকে মতিঝিলের আরেকটি রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ ও গুলিস্তান হয়ে বাস গন্তব্যে যাবে।
মিরপুর-১২ থেকে মতিঝিলের আরেক রুটে বাস চলবে মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে।
মোহাম্মদপুর থেকে মতিঝিল রুটে বাসগুলো মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে চলাচল করবে।
আব্দুল্লাহপুর থেকে মতিঝিল রুটে বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে পিংক বাস চলবে।
নবম রুটটি গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত। এ রুটে গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছাবে বাস।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বলেছেন, শুধু বাসের সংখ্যা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; নারী যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি। উদ্বোধনের সময় যে মানের সেবা দেওয়া হচ্ছে, পরবর্তী সময়ে তা আরও উন্নত করতে বিআরটিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে।
ঢাকার বিদ্যমান গণপরিবহন রুট ব্যবস্থাপনাও নতুনভাবে সাজানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এমন কিছু রুটের পারমিট রয়েছে যেগুলোর কার্যত অস্তিত্ব নেই। আবার কিছু এলাকায় অনুমোদিত পারমিট না থাকলেও বাস চলাচল করছে। যাত্রীচাপ ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে রুট পারমিট এবং চলাচলের পথগুলো রেশনালাইজ করে নতুনভাবে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিবহন খাত আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার সরাসরি ২০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। এসব বাসের মধ্যেও নারীদের জন্য পৃথক বাস রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর পরিবহন কমিয়ে রাজধানীতে পরিবেশবান্ধব ও মাল্টিমোডাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন