সিলেট নগরের আখালিয়া মাউন্ট এডোরা হাস্পাতালের পাশে, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ওপর থেকেই বর্জ্য ডাম্পিং স্টেশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিটি কর্পোরেশন। ফলে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও সাধারণ মানুষ।
প্রতিদিন সকাল হলেই নগরীর ৮, ৯, ও ৩৭, নং ওয়ার্ডের ভ্যান সার্ভিস কর্মীরা বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ময়লা-আবর্জনা ভ্যানে করে আখালিয়ার সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ওপর জড়ো হতে থাকেন। দুপুরের দিকে সিটি কর্পোরেশনের আবর্জনা ট্রাক বর্জ্যগুলো নিতে আসলে সড়কের এক ল্যান বন্ধ করে শুরু হয় আনলোড ও স্থানান্তর কার্যক্রম। কখনো কখনো চলতে থাকে রাত অবধি। দিনের বেলায় খোলামেলা বর্জ্য অপসারণ চলতে থাকায় তার দুর্গন্ধে পথচারী ও সাধারণ মানুষজন দুর্ভোগে পড়েন।
তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধশত বর্জ্যবাহী ভ্যান এক স্থানে জড়ো হওয়ার ফলে প্রায়ই লেগে যায় যানযট। একেতো ময়লা- আবর্জনার দুর্গন্ধ তারপর যানযট। দুইয়ে মিলে মানুষ যেন চরম ভোগান্তির শিকার।
ডাম্পিং স্টেশনের কয়েকশো মিটারের মধ্যেই মাউন্ট এডোরা হাস্পাতাল, আখালিয়া নবাবী মসজিদ, বেশ কিছু ফার্মেসী ও খাবার হোটেল থাকলেও দীর্ঘদিন থেকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী এই ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তর করতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ উদাসীনতার ভুমিকায় রয়েছে বলে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ।
সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন জানান, নগরীতে বর্তমানে ৭টি স্থায়ী বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) রয়েছে। বর্ধিত ওয়ার্ডসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে নতুন করে অন্তত ২১টি এসটিএস প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আখালিয়ার বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের বিষয়টি সিটি করপোরেশনের নজরে রয়েছে। জনদুর্ভোগ ও পরিবেশগত সমস্যা বিবেচনায় দ্রুত ওই স্থান থেকে বর্জ্য স্থানান্তর কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সিলেট নগরের আখালিয়া মাউন্ট এডোরা হাস্পাতালের পাশে, সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ওপর থেকেই বর্জ্য ডাম্পিং স্টেশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিটি কর্পোরেশন। ফলে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও সাধারণ মানুষ।
প্রতিদিন সকাল হলেই নগরীর ৮, ৯, ও ৩৭, নং ওয়ার্ডের ভ্যান সার্ভিস কর্মীরা বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা ময়লা-আবর্জনা ভ্যানে করে আখালিয়ার সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের ওপর জড়ো হতে থাকেন। দুপুরের দিকে সিটি কর্পোরেশনের আবর্জনা ট্রাক বর্জ্যগুলো নিতে আসলে সড়কের এক ল্যান বন্ধ করে শুরু হয় আনলোড ও স্থানান্তর কার্যক্রম। কখনো কখনো চলতে থাকে রাত অবধি। দিনের বেলায় খোলামেলা বর্জ্য অপসারণ চলতে থাকায় তার দুর্গন্ধে পথচারী ও সাধারণ মানুষজন দুর্ভোগে পড়েন।
তিনটি ওয়ার্ডের প্রায় অর্ধশত বর্জ্যবাহী ভ্যান এক স্থানে জড়ো হওয়ার ফলে প্রায়ই লেগে যায় যানযট। একেতো ময়লা- আবর্জনার দুর্গন্ধ তারপর যানযট। দুইয়ে মিলে মানুষ যেন চরম ভোগান্তির শিকার।
ডাম্পিং স্টেশনের কয়েকশো মিটারের মধ্যেই মাউন্ট এডোরা হাস্পাতাল, আখালিয়া নবাবী মসজিদ, বেশ কিছু ফার্মেসী ও খাবার হোটেল থাকলেও দীর্ঘদিন থেকে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী এই ডাম্পিং স্টেশন স্থানান্তর করতে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ উদাসীনতার ভুমিকায় রয়েছে বলে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের অভিযোগ।
সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার প্রধান কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন জানান, নগরীতে বর্তমানে ৭টি স্থায়ী বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র (এসটিএস) রয়েছে। বর্ধিত ওয়ার্ডসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে নতুন করে অন্তত ২১টি এসটিএস প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আখালিয়ার বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের বিষয়টি সিটি করপোরেশনের নজরে রয়েছে। জনদুর্ভোগ ও পরিবেশগত সমস্যা বিবেচনায় দ্রুত ওই স্থান থেকে বর্জ্য স্থানান্তর কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন