ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামের মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকা থেকে ভূঁইয়া বাড়ি জামের মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে কাদামাটির সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটিতে ইট বা অন্য কোনো সংস্কারকাজ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। কাদামাটির কারণে পথচারীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলেও দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে পূর্ব সদরদী গ্রামের মো. জিন্নাত আলী ভূঁইয়া নিজের উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থে সড়কটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে তাকে সড়কের কাদাময় অংশে মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে জিন্নাত আলী ভূঁইয়ার ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাটি ও বালু ফেলার কারণে অন্তত সাময়িকভাবে চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির অবস্থা খারাপ। বৃষ্টি হলে কাদার কারণে হাঁটাচলা করাই কঠিন হয়ে যায়। জিন্নাত আলী ভূঁইয়া নিজ উদ্যোগে মাটি দিয়ে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করেছেন। এতে আমরা উপকৃত হয়েছি।”
এলাকাবাসীর দাবি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাময়িকভাবে দুর্ভোগ কিছুটা কমলেও সড়কটির স্থায়ী সংস্কার জরুরি। দ্রুত ইট, খোয়া ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের পূর্ব সদরদী গ্রামের মহাসড়ক সংলগ্ন এলাকা থেকে ভূঁইয়া বাড়ি জামের মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে সংস্কার না হওয়ায় বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে কাদামাটির সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটিতে ইট বা অন্য কোনো সংস্কারকাজ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। কাদামাটির কারণে পথচারীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলেও দেখা দিয়েছে নানা সমস্যা।
এ অবস্থায় স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে পূর্ব সদরদী গ্রামের মো. জিন্নাত আলী ভূঁইয়া নিজের উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থে সড়কটি সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে তাকে সড়কের কাদাময় অংশে মাটি ও বালু দিয়ে ভরাট করতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সংস্কারের জন্য জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে জিন্নাত আলী ভূঁইয়ার ব্যক্তিগত উদ্যোগে মাটি ও বালু ফেলার কারণে অন্তত সাময়িকভাবে চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির অবস্থা খারাপ। বৃষ্টি হলে কাদার কারণে হাঁটাচলা করাই কঠিন হয়ে যায়। জিন্নাত আলী ভূঁইয়া নিজ উদ্যোগে মাটি দিয়ে রাস্তা চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করেছেন। এতে আমরা উপকৃত হয়েছি।”
এলাকাবাসীর দাবি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাময়িকভাবে দুর্ভোগ কিছুটা কমলেও সড়কটির স্থায়ী সংস্কার জরুরি। দ্রুত ইট, খোয়া ও প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সড়কটি সংস্কার করা হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন