সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ফেনসিডিল, কাফ সিরাপ এবং চোরাচালানি ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদেব এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পার্শ্বেখালী এলাকায় শামসুজ্জামান গাজীর রাইস মিলের পশ্চিম পাশে ওয়াপদা সড়কের ওপর অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা তাদের বহন করা মালামাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ১৩৯ বোতল উইনসেরেক্স কাফ সিরাপ, ৪৪ বোতল এসকাফ কাফ সিরাপ, ৫২২টি গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিম (হাইড্রোকুইনোন, ট্রেটিনোইন ও মোমেটাসোন ফুরোয়েট সমৃদ্ধ) এবং ২৬১টি গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিমের খালি মোড়ক।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত এবং বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া চিহ্নিত ও অজ্ঞাতনামা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযান অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ফেনসিডিল, কাফ সিরাপ এবং চোরাচালানি ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদেব এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ আভিযানিক দল উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পার্শ্বেখালী এলাকায় শামসুজ্জামান গাজীর রাইস মিলের পশ্চিম পাশে ওয়াপদা সড়কের ওপর অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা তাদের বহন করা মালামাল ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ১৩৯ বোতল উইনসেরেক্স কাফ সিরাপ, ৪৪ বোতল এসকাফ কাফ সিরাপ, ৫২২টি গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিম (হাইড্রোকুইনোন, ট্রেটিনোইন ও মোমেটাসোন ফুরোয়েট সমৃদ্ধ) এবং ২৬১টি গোমেলা ১৫ গ্রাম ক্রিমের খালি মোড়ক।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারি ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত এবং বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া চিহ্নিত ও অজ্ঞাতনামা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালান রোধে পুলিশের এমন ধারাবাহিক অভিযান অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন