ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও তিনজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালের রোগী। সর্বশেষ এই তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় প্রকাশিত দৈনিক ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন এবং সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার মাধ্যমে এসব রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
জেলার হাসপাতালভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন, ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৪ জন, চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন এবং সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত ২০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দুইজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুজনিত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও তিনজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালের রোগী। সর্বশেষ এই তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় প্রকাশিত দৈনিক ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন এবং সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার মাধ্যমে এসব রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
জেলার হাসপাতালভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এছাড়া বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন, ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৪ জন, চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন এবং সালথা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ পর্যন্ত ২০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দুইজন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গুজনিত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন