রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তালহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি এবং কথিত শীর্ষ ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী মো. মিলন (২৮)কে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ জুন) রাত প্রায় ১১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা মিলনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া মিলন রাজধানীর টিকাটুলীর আর কে মিশন রোডে সংঘটিত বহুল আলোচিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার আবু তালহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি।
জানা যায়, ছিনতাইকারীদের হাত থেকে এক পথচারীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলার শিকার হন তালহা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, তালহা হত্যা মামলার পাশাপাশি মিলনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় হত্যা, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে সায়েদাবাদ ও আশপাশের এলাকায় একটি অপরাধচক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার এক কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে সায়েদাবাদ ও আশপাশের এলাকায় অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তালহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি এবং কথিত শীর্ষ ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী মো. মিলন (২৮)কে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ জুন) রাত প্রায় ১১টার দিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা মিলনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া মিলন রাজধানীর টিকাটুলীর আর কে মিশন রোডে সংঘটিত বহুল আলোচিত ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী খন্দকার আবু তালহা হত্যা মামলার প্রধান আসামি।
জানা যায়, ছিনতাইকারীদের হাত থেকে এক পথচারীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলার শিকার হন তালহা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, তালহা হত্যা মামলার পাশাপাশি মিলনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় হত্যা, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অপরাধমূলক মামলার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সে সায়েদাবাদ ও আশপাশের এলাকায় একটি অপরাধচক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
যাত্রাবাড়ী থানার এক কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে সায়েদাবাদ ও আশপাশের এলাকায় অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন