জামায়াত-এনসিপি ১১ দলীয় স্বাধীনতা বিরোধী জোট কেবল বিরোধী দল হতেই এখনই সাংবাদিক পেটাচ্ছে, ক্ষমতায় গেলে তারা খুন-গুম করবে এবং মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, "এদেরকে এখনই থামান; তা না হলে ধর্মের দোহাই দিয়ে তারা ইসলামের ক্ষতি, দেশের ক্ষতি, শিক্ষার ক্ষতি, সমাজের ক্ষতি ও সভ্যতার ক্ষতি করবেই। কারণ, তাদের রাজনীতির লক্ষ্য ক্ষমতা—ধর্ম, মানবতা, শিক্ষা, সমাজ বা সভ্যতা নয়।"
রাজধানীতে এক সাংবাদিককে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে ২৩ জুন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান কলামিস্ট মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সভায় শান্তা ফারজানা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের চোখে কাঠের চশমা পরিয়ে এনসিপি-জামায়াতসহ ১১ দলীয় স্বাধীনতা বিরোধী জোট দ্রব্যমূল্য বাড়াতে সিন্ডিকেটকে সহায়তা করছে এবং ধর্মের আড়ালে দুর্নীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। ক্ষমতায় আসার জন্য তারা এয়ানতের নামে মানুষের রক্ত পানি করা টাকা উঠিয়ে নিচ্ছে এবং ছাত্র ও যুব সমাজকে ব্যবহার করে মব, হানাহানি, খুনাখুনি ও ধর্ষণকে উসকে দিচ্ছে।
তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
"বৈষম্য দূর করার কথা বলে বিরোধী দল হয়ে এখন তাদের বৈষম্য দূর করার খবর নাই, দ্রব্যমূল্য কমানোর খবর নাই, দুর্নীতি থামানোর খবর নাই, খুন-ধর্ষণ থামানোর খবর নাই। তাদের কেবল জুলাই চাই, সুরক্ষা চাই। এই সব হায়েনারা যদি সহিংসতা বন্ধ না করে, তবে দেশের মানুষ এদের কঠোরভাবে প্রতিহত করতে তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হামিদুজ্জামান এবং জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের সাধারণ জনগণ এখন আর আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা নতুনধারা বোঝে না। জনগণ বোঝে কেবল লোভ-মোহহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। এমপি হওয়ার পর প্রতারণার মধ্য দিয়ে জনগণকে বোকা বানানোর খেসারত দিতে হবে উল্লেখ করে তারা বলেন, আর এ কারণেই আজ সারাদেশে সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
জামায়াত-এনসিপি ১১ দলীয় স্বাধীনতা বিরোধী জোট কেবল বিরোধী দল হতেই এখনই সাংবাদিক পেটাচ্ছে, ক্ষমতায় গেলে তারা খুন-গুম করবে এবং মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, "এদেরকে এখনই থামান; তা না হলে ধর্মের দোহাই দিয়ে তারা ইসলামের ক্ষতি, দেশের ক্ষতি, শিক্ষার ক্ষতি, সমাজের ক্ষতি ও সভ্যতার ক্ষতি করবেই। কারণ, তাদের রাজনীতির লক্ষ্য ক্ষমতা—ধর্ম, মানবতা, শিক্ষা, সমাজ বা সভ্যতা নয়।"
রাজধানীতে এক সাংবাদিককে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলার প্রতিবাদে ২৩ জুন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের চেয়ারম্যান কলামিস্ট মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সভায় শান্তা ফারজানা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের চোখে কাঠের চশমা পরিয়ে এনসিপি-জামায়াতসহ ১১ দলীয় স্বাধীনতা বিরোধী জোট দ্রব্যমূল্য বাড়াতে সিন্ডিকেটকে সহায়তা করছে এবং ধর্মের আড়ালে দুর্নীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। ক্ষমতায় আসার জন্য তারা এয়ানতের নামে মানুষের রক্ত পানি করা টাকা উঠিয়ে নিচ্ছে এবং ছাত্র ও যুব সমাজকে ব্যবহার করে মব, হানাহানি, খুনাখুনি ও ধর্ষণকে উসকে দিচ্ছে।
তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
"বৈষম্য দূর করার কথা বলে বিরোধী দল হয়ে এখন তাদের বৈষম্য দূর করার খবর নাই, দ্রব্যমূল্য কমানোর খবর নাই, দুর্নীতি থামানোর খবর নাই, খুন-ধর্ষণ থামানোর খবর নাই। তাদের কেবল জুলাই চাই, সুরক্ষা চাই। এই সব হায়েনারা যদি সহিংসতা বন্ধ না করে, তবে দেশের মানুষ এদের কঠোরভাবে প্রতিহত করতে তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হামিদুজ্জামান এবং জাতীয় শ্রমিকধারার আহ্বায়ক বাবুল মিয়া প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের সাধারণ জনগণ এখন আর আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা নতুনধারা বোঝে না। জনগণ বোঝে কেবল লোভ-মোহহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। এমপি হওয়ার পর প্রতারণার মধ্য দিয়ে জনগণকে বোকা বানানোর খেসারত দিতে হবে উল্লেখ করে তারা বলেন, আর এ কারণেই আজ সারাদেশে সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন