সম্পূর্ণ পারিবারিক ও অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদকে জড়িয়ে কাদা ছিটানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল। এমনটাই দাবি করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
আজ এক বিবৃতিতে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি একান্তই পারিবারিক সমস্যাকে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর সাথে জেলা পরিষদের কোনো দূরতম সম্পর্ক বা সংশ্লিষ্টতা নেই।
বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা
অধ্যাপক থানজামা লুসাই উল্লেখ করেন, মূল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এই কুচক্রী মহলটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জেলা পরিষদের নাম জড়িয়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলন,
যে বিষয়টি সম্পূর্ণ ঘরের এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য, সেটিকে বাইরে টেনে এনে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে (জেলা পরিষদ) বিতর্কিত করার এই নোংরা মানসিকতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, এই ধরনের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপপ্রচার শুধু জেলা পরিষদের ভাবমূর্তিই নষ্ট করছে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যারা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো উপায়ে এই মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সত্য যাচাইয়ের আহ্বান
অধ্যাপক লুসাই সর্বস্তরের জনগণকে এই ধরনের উস্কানিমূলক ও মনগড়া বক্তব্যে কান না দেওয়ার এবং যেকোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে তার সত্যতা যাচাই করে দেখার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সচেতন মহল এই কুচক্রী মহলের হীন উদ্দেশ্য ধরতে পারবেন এবং যেকোনো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সম্পূর্ণ পারিবারিক ও অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদকে জড়িয়ে কাদা ছিটানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল। এমনটাই দাবি করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
আজ এক বিবৃতিতে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি একান্তই পারিবারিক সমস্যাকে রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর সাথে জেলা পরিষদের কোনো দূরতম সম্পর্ক বা সংশ্লিষ্টতা নেই।
বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা
অধ্যাপক থানজামা লুসাই উল্লেখ করেন, মূল ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে এই কুচক্রী মহলটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জেলা পরিষদের নাম জড়িয়ে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলন,
যে বিষয়টি সম্পূর্ণ ঘরের এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য, সেটিকে বাইরে টেনে এনে একটি মর্যাদাপূর্ণ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে (জেলা পরিষদ) বিতর্কিত করার এই নোংরা মানসিকতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, এই ধরনের ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপপ্রচার শুধু জেলা পরিষদের ভাবমূর্তিই নষ্ট করছে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যারা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অন্য কোনো উপায়ে এই মিথ্যাচার ছড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সত্য যাচাইয়ের আহ্বান
অধ্যাপক লুসাই সর্বস্তরের জনগণকে এই ধরনের উস্কানিমূলক ও মনগড়া বক্তব্যে কান না দেওয়ার এবং যেকোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে তার সত্যতা যাচাই করে দেখার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রশাসন ও সচেতন মহল এই কুচক্রী মহলের হীন উদ্দেশ্য ধরতে পারবেন এবং যেকোনো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকবেন।

আপনার মতামত লিখুন