বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন কৌশলগত সহযোগিতার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা সংকট। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতারও প্রশংসা করা হয়।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-তুরস্ক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন কৌশলগত সহযোগিতার বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা সংকট। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতারও প্রশংসা করা হয়।
এছাড়া দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-তুরস্ক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আপনার মতামত লিখুন