আইপিএল ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে ওঠার আগেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার মুখে পড়তে হয়েছিল গুজরাট টাইটানসকে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন দলটির ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শর্ট সার্কিট থেকে গুজরাট টাইটানসের টিম বাসে আগুন লাগে। তবে সময়মতো খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বাস থেকে নামিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
রোববার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে। বাসে আগুন লাগার পর খেলোয়াড়দের প্রায় এক ঘণ্টা সড়কে অপেক্ষা করতে হয়।
ঘটনাটি গুজরাটের জন্য হতাশার রাতকে আরও তিক্ত করে তোলে। এর আগে আইপিএল ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে পাঁচ উইকেটে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে দলটি।
এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে টানা ভ্রমণ ও ব্যস্ত সূচির চাপও সহ্য করতে হয়েছে গুজরাট টাইটানসকে। ২৯ মে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের মুখোমুখি হতে দলটিকে ২৭ মে ধর্মশালা থেকে মুল্লানপুরে যেতে হয়।
পরবর্তীতে ৩০ মে মুল্লানপুরের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আহমেদাবাদে ফেরার যাত্রাও বিলম্বিত হয়। ফলে ফাইনালের মাত্র এক দিন আগে, শনিবার সন্ধ্যার পর নিজেদের ঘাঁটিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয় দলটি।
ফাইনালে পরাজয়, দীর্ঘ ভ্রমণজনিত ক্লান্তি এবং তার পরপরই টিম বাসে আগুন লাগার ঘটনায় গুজরাট টাইটানসের মৌসুমের সমাপ্তি হয়েছে এক নাটকীয় ও দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
আইপিএল ফাইনালে পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে ওঠার আগেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার মুখে পড়তে হয়েছিল গুজরাট টাইটানসকে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন দলটির ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শর্ট সার্কিট থেকে গুজরাট টাইটানসের টিম বাসে আগুন লাগে। তবে সময়মতো খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের বাস থেকে নামিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
রোববার রাতে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে। বাসে আগুন লাগার পর খেলোয়াড়দের প্রায় এক ঘণ্টা সড়কে অপেক্ষা করতে হয়।
ঘটনাটি গুজরাটের জন্য হতাশার রাতকে আরও তিক্ত করে তোলে। এর আগে আইপিএল ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে পাঁচ উইকেটে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে দলটি।
এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে টানা ভ্রমণ ও ব্যস্ত সূচির চাপও সহ্য করতে হয়েছে গুজরাট টাইটানসকে। ২৯ মে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের মুখোমুখি হতে দলটিকে ২৭ মে ধর্মশালা থেকে মুল্লানপুরে যেতে হয়।
পরবর্তীতে ৩০ মে মুল্লানপুরের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আহমেদাবাদে ফেরার যাত্রাও বিলম্বিত হয়। ফলে ফাইনালের মাত্র এক দিন আগে, শনিবার সন্ধ্যার পর নিজেদের ঘাঁটিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয় দলটি।
ফাইনালে পরাজয়, দীর্ঘ ভ্রমণজনিত ক্লান্তি এবং তার পরপরই টিম বাসে আগুন লাগার ঘটনায় গুজরাট টাইটানসের মৌসুমের সমাপ্তি হয়েছে এক নাটকীয় ও দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে।

আপনার মতামত লিখুন