গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভাঙে লিওনেল স্কালোনির দলের। ফাইনালে স্পেনের দাপুটে পারফরম্যান্সের পর থেকেই আর্জেন্টিনার অস্বাভাবিক নিষ্প্রভতা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়ায়, আর্জেন্টিনা নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচটি ছেড়ে দিয়েছিল। ফাইনালের আগে ও ম্যাচ চলাকালে কয়েকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় নানা ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি।
এএফএ সভাপতি তাপিয়া এসব গুঞ্জনে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। আর্জেন্টিনা ইচ্ছা করে বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে—এমন বক্তব্যকে তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। তার অবস্থান, বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ মঞ্চে দেশের হয়ে খেলতে নেমে কোনো ফুটবলার বা দল ইচ্ছাকৃতভাবে শিরোপা হাতছাড়া করবে—এমন ধারণার বাস্তব ভিত্তি নেই।
ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা দলের ভেতরে বিভক্তি বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা ছিল বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। দেশে ফেরার পর কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন যে, দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল কি না—এমন প্রশ্নও তাকে শুনতে হচ্ছে।
ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেছিল—এমন আলোচনাও ছড়িয়ে পড়ে। তবে আর্জেন্টাইন সাংবাদিক রেনজো পানতিচের দাবি অনুযায়ী, ম্যাচের আগে কয়েকজন খেলোয়াড় শারীরিক অস্বস্তির কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন; এর বাইরে ম্যাচ পাতানোর তত্ত্বকে সমর্থন করার মতো কোনো তথ্য তিনি পাননি।
ফাইনালে স্পেনের আধিপত্যও ছিল স্পষ্ট। আর্জেন্টিনাকে আক্রমণে কার্যত নিষ্ক্রিয় রেখে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতে নেয় স্প্যানিশরা। ম্যাচের পর লিওনেল মেসিও প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, স্পেন সেদিন তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এবং আর্জেন্টিনা পরাজয় মেনে নিয়েছে।
ফাইনালের প্রায় এক মাস পরও সেই ম্যাচ ঘিরে আলোচনা থামেনি। তবে এএফএ সভাপতির বক্তব্যে আর্জেন্টিনা ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচ ছেড়ে দিয়েছিল—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই গুঞ্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করার বার্তাই আরও স্পষ্ট হলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও স্পেন। অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভাঙে লিওনেল স্কালোনির দলের। ফাইনালে স্পেনের দাপুটে পারফরম্যান্সের পর থেকেই আর্জেন্টিনার অস্বাভাবিক নিষ্প্রভতা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ছড়ায়, আর্জেন্টিনা নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচটি ছেড়ে দিয়েছিল। ফাইনালের আগে ও ম্যাচ চলাকালে কয়েকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় নানা ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি।
এএফএ সভাপতি তাপিয়া এসব গুঞ্জনে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। আর্জেন্টিনা ইচ্ছা করে বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে—এমন বক্তব্যকে তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। তার অবস্থান, বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ মঞ্চে দেশের হয়ে খেলতে নেমে কোনো ফুটবলার বা দল ইচ্ছাকৃতভাবে শিরোপা হাতছাড়া করবে—এমন ধারণার বাস্তব ভিত্তি নেই।
ফাইনালের পর আর্জেন্টিনা দলের ভেতরে বিভক্তি বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা ছিল বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। দেশে ফেরার পর কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন যে, দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ছিল কি না—এমন প্রশ্নও তাকে শুনতে হচ্ছে।
ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেছিল—এমন আলোচনাও ছড়িয়ে পড়ে। তবে আর্জেন্টাইন সাংবাদিক রেনজো পানতিচের দাবি অনুযায়ী, ম্যাচের আগে কয়েকজন খেলোয়াড় শারীরিক অস্বস্তির কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন; এর বাইরে ম্যাচ পাতানোর তত্ত্বকে সমর্থন করার মতো কোনো তথ্য তিনি পাননি।
ফাইনালে স্পেনের আধিপত্যও ছিল স্পষ্ট। আর্জেন্টিনাকে আক্রমণে কার্যত নিষ্ক্রিয় রেখে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতে নেয় স্প্যানিশরা। ম্যাচের পর লিওনেল মেসিও প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে জানিয়েছিলেন, স্পেন সেদিন তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এবং আর্জেন্টিনা পরাজয় মেনে নিয়েছে।
ফাইনালের প্রায় এক মাস পরও সেই ম্যাচ ঘিরে আলোচনা থামেনি। তবে এএফএ সভাপতির বক্তব্যে আর্জেন্টিনা ইচ্ছাকৃতভাবে ম্যাচ ছেড়ে দিয়েছিল—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই গুঞ্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করার বার্তাই আরও স্পষ্ট হলো।

আপনার মতামত লিখুন